বাড়তি চাপ নয়, স্মার্ট লার্নিংয়ে অভিভাবকদের স্বস্তি

কর্তৃপক্ষের দাবি, অ্যাবাকাস ও মেন্টাল ম্যাথ চর্চার ফলে শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা, স্মৃতিশক্তি ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা উন্নত হচ্ছে। একই সঙ্গে নিয়মিত ক্লাসের মধ্যেই এ প্রশিক্ষণ দেয়ায় আলাদা কোচিংয়ের প্রয়োজন কমছে, ফলে অভিভাবকদের সময় ও ব্যয় দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় দক্ষতাভিত্তিক নতুন ধারা যুক্ত করেছে উইটন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও গাইডেন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। মুখস্থনির্ভর পদ্ধতির বাইরে এসে প্রতিষ্ঠান দুটি তাদের পাঠ্যক্রমে অ্যাবাকাস ও মেন্টাল ম্যাথ (মানসাঙ্ক) অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে সহায়ক বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত এ কার্যক্রম চালু রয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু গণিত শেখে না, পাশাপাশি বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতাও অর্জন করে।

কর্তৃপক্ষের দাবি, অ্যাবাকাস ও মেন্টাল ম্যাথ চর্চার ফলে শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা, স্মৃতিশক্তি ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা উন্নত হচ্ছে। একই সঙ্গে নিয়মিত ক্লাসের মধ্যেই এ প্রশিক্ষণ দেয়ায় আলাদা কোচিংয়ের প্রয়োজন কমছে, ফলে অভিভাবকদের সময় ও ব্যয় দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে।

এছাড়া আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য আরবি ভাষা শিক্ষা ও হিফজুল কুরআন কর্মসূচিও চালু রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে ক্যাম্পিং, পাবলিক স্পিকিং ও লিডারশিপ প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে বলে জানানো হয়।

প্রতিষ্ঠান দুটির অধ্যক্ষ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ জামান বলেন, “গণিত শুধু মুখস্থের বিষয় নয়; এটি চিন্তা করার একটি পদ্ধতি। আমরা এমন শিক্ষার্থী তৈরি করতে চাই, যারা বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম হবে।”