গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ‘এ’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশে একাধিক পরিসংখ্যানগত গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। ফলাফলে দেখা যায়, পরীক্ষা না দিয়েও ৫৩ জন শিক্ষার্থীকে উপস্থিত দেখানো হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্যমতে, মোট আবেদনকারী ছিলেন এক লাখ ৬৬ হাজার ১৬২ জন। এরমধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন এক লাখ ২৫ হাজার ৯৩৮ জন, যা মোট আবেদনকারীর ৭৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ। তবে আগের দিন প্রকাশিত তথ্যে উপস্থিতি ছিল এক লাখ ২৫ হাজার ৮৮৫ জন (৭৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ)। ফলে পরিসংখ্যানে ৫৩ জনের অমিল দেখা গেছে।
পাশের হারেও গরামিল লক্ষ্য করা যায়। ফলাফল অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩০ নম্বর বা তার বেশি পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৮ জন, যা শতকরা ৩০ দশমিক ২৪ শতাংশ। কিন্তু কর্তৃপক্ষ পাশের হার ৩০ শতাংশ উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে, ৩০ নম্বরের কম পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৮৭ হাজার ৭৪০ জন। এ সংখ্যা শতকরা হিসাবে ৬৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৬৯ দশমিক ৫০ শতাংশ দেখানো হয়েছে।
এদিকে, পরীক্ষার দিনের হিসাব অনুযায়ী অনুপস্থিত ছিলেন ৪০ হাজার ২৭৭ (২৪ দশমিক ২৪ শতাংশ) শিক্ষার্থী। এবারের হিসেবে তা দেখানো হয়েছে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০ হাজার ২২৪ জন। যেখানে আবার দেখানো হয়েছে ২৪ দশমিক ২০ শতাংশ। এছাড়া রোল নম্বর ও পরিচয়পত্র পূরণে ভুলের কারণে ১১০ জনের খাতা বাতিল করা হয়েছে।
মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ঢাকার মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী তওকির সিদ্দিকী ইশতি। তিনি ৮৭ নম্বর পেয়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেন। সর্বনিম্ন প্রাপ্ত নম্বর ছিল মাইনাস ১৪ দশমিক ২৫।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
হিসাব গরমিলের বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে আমাদের কোনো গুচ্ছের মেম্বার নেই। তারা মৌখিক হিসাব দিয়েছে আমাদেরকে। এক্ষেত্রে সেখানে কিছু তথ্যের গরমিল হতে পারে। আমরা পুনরায় যাচাই-বাছাই করে দেখতেছি।’



