হাবিপ্রবিতে ৪ হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ছাত্রদলের গণইফতার

‘পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। গণইফতার শুধু ইফতার মাহফিল নয়; এটি ক্যাম্পাসে সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের বার্তা বহন করে। আমরা চাই হাবিপ্রবি হবে মতপ্রকাশের স্বাধীন, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক চর্চার উন্মুক্ত জায়গা।’

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি
ইফতারে হাজারো শিক্ষার্থী
ইফতারে হাজারো শিক্ষার্থী |নয়া দিগন্ত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও গণইফতারের আয়োজন করেছে ছাত্রদল হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) শাখা।

বুধবার (৪ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের নুর হোসেন হল মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ প্রায় ৪ হাজারেরও অধিক শিক্ষার্থী উক্ত প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন।

ছাত্রদলের এই গণইফতার উপলক্ষে আসরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নুর হোসেন হল মাঠে শিক্ষার্থীদের ঢল নামতে শুরু করে। কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতারের মাধ্যমে প্রোগ্রামটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

গণইফতারে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি অধ্যাপক ড. মো: এনামউল্ল্যা, প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো: শফিকুল ইসলাম সিকদার, রেজিষ্ট্রার অধ্যাপক ড. মো: আবু হাসান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো: জাহাঙ্গীর কবির, প্রক্টর ও হাবিপ্রবি জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো: নওশের ওয়ান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. এস এম এমদাদুল হাসান, হাবিপ্রবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক বার্নাড পলাশ দাস, সদস্য সচিব এস এম ফরহাদসহ ছাত্রদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

গণইফতারের বিষয়ে ছাত্রদল হাবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক বার্নাড পলাশ দাস বলেন, ‘পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। গণইফতার শুধু ইফতার মাহফিল নয়; এটি ক্যাম্পাসে সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের বার্তা বহন করে। আমরা চাই হাবিপ্রবি হবে মতপ্রকাশের স্বাধীন, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক চর্চার উন্মুক্ত জায়গা।’

তিনি আরো বলেন, ‘সকল রাজনৈতিক ভিন্নতা ভুলে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ, সেশনজট নিরসন ও শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি আদায়ে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। গণইফতার সেই ঐক্যেরই প্রতীক।’

পলাশ দাস আরো বলেন, ‘ছাত্রদল সবসময় শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। আমরা প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানাই, ক্যাম্পাসে যেন বৈষম্যহীন ও সহনশীল পরিবেশ বজায় থাকে।’