জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে রসায়ন বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন মো: আবদুল্লাহ আল মামুন। কিন্তু আর্থিক সঙ্কটের কারণে স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া এখন তার জন্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি থানার নিওগির টাঙ্গোর গ্রামের বাসিন্দা আবদুল্লাহ চার ভাই-বোনের মধ্যে তৃতীয়। বাবা মো: সুলতান মিয়া পেশায় দিনমজুর হলেও অসুস্থতার কারণে বর্তমানে কর্মক্ষম নন। মা হাজেরা বেগম গৃহিণী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হঠাৎ অক্ষম হয়ে পড়ায় সংসার চালানোই এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের জন্য।
এই মেধাবী শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করেন সরিষাবাড়ি আরডিএম মডেল পাইলট স্কুল থেকে এবং এইচএসসি সরিষাবাড়ি কলেজ থেকে। প্রতিবন্ধী কোটায় (পিডিকিইউ) তিনি এবার রসায়ন বিভাগে চান্স পেয়েছেন। কিন্তু ভর্তি ফি ও অন্য খরচ মিলিয়ে প্রায় ১৫ হাজার টাকা জোগাড় করা তার পরিবারের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আবদুল্লাহ আল মামুন আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার বাবা দিনমজুর ছিলেন। সম্প্রতি অপারেশনের কারণে তিনি আর কাজ করতে পারেন না। মা গৃহিণী। পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েও ভর্তি হতে পারছি না।’
উল্লেখ্য, জাবি প্রশাসন আগামী ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবন্ধী কোটায় ভর্তির সময়সূচি ঘোষণা করেছে। নির্ধারিত সময়ে ১৪ হাজার ৯৭৪ টাকা জমা দিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু সময় ফুরিয়ে আসলেও অর্থ সঙ্কটে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন আজো অনিশ্চয়তায় ঘেরা আবদুল্লাহর চোখে।



