ডাকসু নির্বাচন

রিটকারী ছাত্রীকে ‘গণধর্ষণের’ হুমকি, তদন্তে ২ কমিটি

ডাকসু নির্বাচনের রিট দায়ের করা এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের হুমকির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) |নয়া দিগন্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টে রিট করা এক ছাত্রীকে ‘গণধর্ষণের’ হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয় তিন সদস্যের এবং ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন কমিশন দুই সদস্যের তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে।

ডাকসু নির্বাচনে ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছিলেন ওই ছাত্রী। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট সোমবার ডাকসু নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আলী হুসেন রিটকারী ওই ছাত্রীকে ‘গণধর্ষণের’ হুমকি দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গণধর্ষণের হুমকির ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ করে হুমকি দেয়ার ঘটনায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী এস এম ফরহাদ এবং ‘অপরাজেয় ৭১ অদম্য ২৪’ প্যানেলের সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী নাইম হাসান লিখিত অভিযোগ দেন। এর ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর কার্যালয় তিন সদস্য বিশিষ্ট বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

কমিটিতে সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ মাহবুব কায়সারকে আহ্বায়ক এবং সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূইয়া ও মো: রেজাউল করিম সোহাগকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

একই ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের আরেকটি তথ্যানুসন্ধান কমিটি করেছে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন কমিশন। এই কমিটিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক কাজী মোস্তাক গাউসুল হককে আহ্বায়ক এবং সহকারী প্রক্টর জাহাঙ্গীর আলমকে সদস্য করা হয়েছে। তাদের আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।