শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচনে (শাকসু) ছাত্রদল সমর্থিত ‘সম্মিলিত সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদা রিয়ার ছাত্রলীগ সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের পদপ্রত্যাশী ছিলেন-এমন একটি জীবনবৃত্তান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হয়েছে। নিজেই জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছিলেন বলে নয়া দিগন্তের কাছে স্বীকার করেছেন মাহমুদা রিয়া।
তিনি শাবিপ্রবি বাংলা বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার বনগ্রামে।
জীববৃত্তান্ত ঘেঁটে দেখা যায়, রিয়া নিজেকে ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। ছাত্রলীগের কমিটিতে পদ পেতে সাংগঠনিক দক্ষতা হিসেবে নিজেকে তিনি বৃহত্তর ফরিদপুর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং উত্তরণ লেখক ও পাঠকের সূতিকাগার শাবিপ্রবির সাংগঠনিক সম্পাদক দাবি করেন। তখন তিনি বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন বলেও জীবনবৃত্তান্ত থেকে জানা যায়।
শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি মো. খলিলুর রহমানের ব্যাক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৪ মে শাবিপ্রবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করা হয়। যেখানে পদপ্রত্যাশীদের ৩০ মের মধ্যে জীববৃত্তান্ত জমা দেয়ার কথা জানানো ছিলো।
ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার কথা জানতে চাইলে মাহমুদা রিয়া নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘প্রথমত, কারো রাজনৈতিক মতভেদ ভিন্ন থাকতেই পারে। সে বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারো নেই।’
জীবনবৃত্তান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রিয়া বলেন, ‘এ ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে আমাকে মাঠ থেকে সরিয়ে দেয়া যাবে না। তারা হয়তো এমনটাই ভাবছে। বটবাহিনী যদি মনে করে কিছু পোস্ট দিয়ে তারা হিরো হয়ে যাবে বা আমাকে দুর্বল করে দেবে তাহলে তারা ভুল করছে। আমি এত সহজে হাল ছেড়ে দেয়ার মেয়ে নই।’
তিনি আরো বলেন, ‘আরেকটি বিষয় স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমি ছাত্রদলের প্যানেলের প্রার্থী নই। এটা ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল, যেখানে অন্য ১০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মতো আমিও একজন। অন্য ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে আমাকেও তারা সমর্থন দিয়েছে। এতেই আমি ছাত্রদলের কেউ হয়ে যাই না।’



