বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শিল্পের টেকসই উন্নয়নে ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখার (ডব্লিউপিএস-বিবি) বিভাগীয় কারিগরি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় পোল্ট্রি শিল্পের আধুনিক প্রযুক্তি, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধ, বায়োসিকিউরিটি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, খামার ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে কারিগরি সেশন অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির ভিসি অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দফতরের পরিচালক ডা: মনোরঞ্জন ধর এবং ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা: মোহাম্মদ ফয়েজুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডব্লিউপিএসএ-বিবির বিভাগীয় কর্মশালা কমিটির আহ্বায়ক ও বাকৃবি পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: ইলিয়াস হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় কর্মশালা কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মো: মাহমূদুল হাসান শিকদার।
এছাড়াও কর্মশালায় শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, খামারি ও পোল্ট্রি খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবি ভিসি অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘পোল্ট্রি খাত দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা ও আমিষের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। খামারি ও বিশেষজ্ঞরা ডিম ও মাংস উৎপাদনের মাধ্যমে মানুষের পুষ্টি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন, যা জাতির জন্য অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের কারিগরি কর্মশালা খামার পরিচালনায় বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বাকৃবিতে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার আনন্দিত। কর্মশালার টেকনিক্যাল সেশন এবং বাংলায় প্রস্তুত তথ্যসমৃদ্ধ নোটবুক অংশগ্রহণকারীদের বাস্তব কাজে সহায়ক হবে।’
পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের সন্তানদের ভবিষ্যতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার জন্য পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ তুলে ধরে ভিসি বলেন, ‘মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে মানসম্মত প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনের মাধ্যমে খামারিরা মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন, যা একটি মহৎ কাজ।’



