খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাবির জাতীয়তাবাদী ফোরামের কালো ব্যাজ ধারণ

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আতাউর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

Location :

Dhaka
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাবির জাতীয়তাবাদী ফোরামের কালো ব্যাজ ধারণ
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাবির জাতীয়তাবাদী ফোরামের কালো ব্যাজ ধারণ |নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কালো ব্যাজ ধারণ ও গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরাম।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো: জামাল উদ্দীন বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন গৃহিণী বা রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী ছিলেন না, তিনি ছিলেন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে আপসহীন এক নেত্রী। তার মৃত্যু মানে জাতির একজন অভিভাবককে হারানো। তিনি শুধু জাতীয়তাবাদী দলের নয়, সঙ্কটকালে পুরো দেশের নেত্রী হিসেবেই আবির্ভূত হয়েছেন। ১৯৯১ সালে মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার নেতৃত্ব গ্রহণ, সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রবর্তনে তার ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক।’

শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক মো: শামছুল আলম বলেন, ‘আমাদের জাতির অভিভাবক হিসেবে তিনি ছিলেন মৃদুভাষী, সহনশীল ও মানবিক একজন মানুষ। গত ১৬ বছরে তার ওপর বহু নির্যাতন ও অবিচার হলেও তিনি কখনো কারো প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেননি। প্রিয় বাসা থেকে উৎখাত হয়েও তিনি দেশ ছাড়ার কথা ভাবেননি; দেশকেই তিনি ভালোবেসেছেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আজীবন সংগ্রাম করে তিনি বহুবার কারাবরণ করেছেন এবং আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে গণতন্ত্রের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতবাসী করেন।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ছালেহ আহাম্মাদ খান, অধ্যাপক মোস্তফা নাজমুল মানছুর, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো: মনোয়ার হোসেন, দফতর সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুর রহমান খান, প্রচার সম্পাদক এস এম মাহমুদুল হাসান এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক অধ্যাপক মো: ফজলুল করিম পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।