বিএনপির কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য হলেন পাবিপ্রবি ভিসি

অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিএনপির নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আরো রয়েছেন অধ্যাপক মো: লুৎফর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভিসি অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আউয়াল, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম সরকার ও অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন।

পাবিপ্রবি প্রতিনিধি
পাবিপ্রবি ভিসি অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল
পাবিপ্রবি ভিসি অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল |নয়া দিগন্ত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাভিত্তিক নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে বিএনপি সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)। এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ভিসি অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা যায়।

অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিএনপির নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আরো রয়েছেন অধ্যাপক মো: লুৎফর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভিসি অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আউয়াল, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম সরকার ও অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন।

ইউট্যাব সূত্রে জানা গেছে, এই কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার বিএনপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও কেন্দ্রীয়ভাবে মনোনীত নেতাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করবেন। এছাড়া নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালনা, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিবীক্ষণ ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে সমন্বয় সাধনে তারা কাজ করবেন।

নির্বাচনী কার্যক্রম আরো বেগবান করতে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা আলাদা সাব-কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি নিজ নিজ এলাকার প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা ও কৌশল নির্ধারণে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) মূলত বিএনপি সমর্থিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের একটি পেশাজীবী সংগঠন। সংগঠনটি শিক্ষকদের পেশাগত অধিকার রক্ষা, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে থাকে।