পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাথে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

উভয়পক্ষই বাংলাদেশ-ইতালি সম্পর্কের ক্রমাগত বৃদ্ধি, জন-মানুষের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্কের ওপর সন্তুষ্টতার সাথে উল্লেখ করেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সাথে বাংলাদেশে ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্টোনিও আলেসান্দ্রো সাক্ষাৎ করেছেন
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সাথে বাংলাদেশে ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্টোনিও আলেসান্দ্রো সাক্ষাৎ করেছেন |ইন্টারনেট

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্টোনিও আলেসান্দ্রো।

আজ বুধবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ করেন তারা।

এ সময় ইতালির রাষ্ট্রদূত সম্প্রতি দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদেকে অভিনন্দন জানান এবং দীর্ঘকালীন ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ইতালির আস্থা জানান।

উভয়পক্ষই বাংলাদেশ-ইতালি সম্পর্কের ক্রমাগত বৃদ্ধি, জন-মানুষের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্কের ওপর সন্তুষ্টতার সাথে উল্লেখ করেছে।

তারা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, চামড়া ও সিরামিক শিল্প, উৎপাদন, দক্ষতা উন্নয়ন, নারীদের ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময়, বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ অগ্রাধিকার খাতে সম্পৃক্ততা প্রসারিত করার জন্য তাদের অংশীদারিত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে।

প্রতিমন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে ইতালির ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং জাতিসঙ্ঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে সভাপতিত্বতে বাংলাদেশের প্রার্থীতায় ইতালির সমর্থন কামনা করেন।

রাষ্ট্রদূত জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের বিষয়সূচিতে ইতালির অবস্থান সম্পর্কে তাকে অবগত করেন।

আলোচনায় অভিবাসন এবং গতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রদর্শিত হয়েছে। কার্যকর অভিবাসন শাসন নিশ্চিত করতে ইতালি ও অন্যান্য ইউরোপীয় অংশীদারদের সাথে অব্যাহত সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি পারস্পরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মাইগ্রেশন চ্যানেলের জন্য সুযোগ প্রসারিত করার গুরুত্ব ওপর জোর দেন। রাষ্ট্রদূত অনিয়মিত অভিবাসন রোধে বাংলাদেশের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং ইতালীয় সমাজে বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের ইতিবাচক অবদান স্বীকার করেন।

উভয়পক্ষই আইনি পথ, দক্ষতা, অংশীদারিত্ব এবং বাজারের চাহিদার সাথে মিল থাকা শ্রম গতিশীলতার মাধ্যমে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং নিয়মিত অভিবাসনের ওপর জোর দিয়েছে।