মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রফতানিতে ধস, বিকল্প বাজারের খোঁজ কতদূর?

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশী শ্রমবাজার বড় সঙ্কটে পড়েছে; চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরছেন অনেক প্রবাসী, আর নতুন কর্মী যাওয়ার হারও প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, দ্রুত ইউরোপ, জাপানসহ বিকল্প বাজার ও দক্ষ জনশক্তি তৈরি না করতে পারলে দীর্ঘমেয়াদে রেমিট্যান্স ও অর্থনীতিতে বড় চাপ পড়তে পারে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানির সবচেয়ে বড় বাজার
মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানির সবচেয়ে বড় বাজার |সংগৃহীত

চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ মোর্শেদ। চার বছর আগে অনেক আশা নিয়ে গিয়েছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে। চাকরি নিয়েছিলেন দুবাইয়ের একটি রেস্তোরাঁয়। সেখানে যা বেতন পেতেন, সেটা দিয়ে দেশে ভালোই চলছিল সংসার। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে ইরানের যুদ্ধ বদলে দিয়েছে তার জীবনের সমীকরণ। আকস্মিকভাবে রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকটা খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে দেশে।

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রেস্টুরেন্টে বেঁচাবিক্রি একেবারে কমে গেছিল। আবার বিভিন্ন জায়গায় হামলাও হচ্ছিল। সেকারণে মালিক রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দিয়ে কর্মচারীদের সবাইরে ছুটি দিয়ে বাড়ি পাঠায় দিছে।’

গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে দুবাই থেকে দেশে ফিরে আসেন মোর্শেদ। ফেরার সময় এক মাসের বেতন হাতে পেলেও আবার কবে দুবাই ফিরে কাজে যোগ দিতে পারবেন, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়।

তিনি বলেন, ‘দেশে পাঠানোর সময় মালিকে বলছিল, যুদ্ধ থামলে পরিস্থিতি একটু নরমাল হলে রেস্টুরেন্ট আবার খুলবে, তখন আমাদের জানানো হবে। এখন শুনতেছি যুদ্ধ থামছে, কিন্তু কিছুই তো জানালো না।’

এদিকে, মোর্শেদের আয়ের ওপর নির্ভরশীল তার পুরো পরিবার। কিন্তু চাকরি না থাকায় এখন সংসার কিভাবে চলবে, তা নিয়ে বাড়ছে দুশ্চিন্তা।

তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করে চলে আসার কারণে সেভাবে টাকা-পয়সা সাথে আনতে পারিনি। কাছে যা টাকা আছে, সেটা দিয়ে বেশিদিন চলাও যাবে না। সামনে কিভাবে যে সংসার চলবে, সেটাই ভেবে পাচ্ছি না।’

বস্তুতঃ গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রম বাজারে।

একদিকে, মোর্শেদের মতো অসংখ্য শ্রমিক যেমন চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছেন, তেমনি আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমশক্তি রফতানির হার।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) হিসাবে, গত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে প্রতিমাসে গড়ে প্রায় ৯৫ হাজার মানুষ কাজ করতে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই গেছেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান বলেন, ‘ইরান যুদ্ধ শুরুর পর সেই সংখ্যাটা আশঙ্কাজনকভাবে কমে এখন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।’

এ অবস্থায় দ্রুত জনশক্তি রফতানির বিকল্প বাজার তৈরি করতে না পারলে দীর্ঘমেয়াদে প্রবাসী আয়ের ওপর যেমন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, সেইসাথে অবৈধপথে বিদেশ যাত্রা বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

‘আমরাও ভয়ে আছি’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালালে জবাবে পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান। ইসরাইলের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি ও মার্কিন দফতর লক্ষ্য চলতে থাকে একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।

এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ওই অঞ্চলে মার্কিন মিত্র হিসেবে পরিচিত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েত।

অবকাঠামোগত ক্ষতির পাশাপাশি কোথাও কোথাও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। এতে নিরাপত্তা শঙ্কায় বন্ধ হয়ে যায় অফিস-আদালত, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান।

টানা ৪০ দিন সঙ্ঘাত চলার পর এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

এরপর স্থায়ীভাবে যুদ্ধের ইতি টানার উদ্দেশ্যে গত একমাসে দফায় দফায় শান্তি আলোচনা করলেও দু’পক্ষ এখনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি।

তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকায় থেমেছে পাল্টা-পাল্টি হামলা। ফলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশী ব্যবসায়ী ফরহাদ মোহাম্মদ বলেন, ‘যুদ্ধের কারণে যেসব এলাকায় দোকান-পাট, অফিস-আদালত বন্ধ হয়ে গেছিল, সেগুলো এখন আস্তে আস্তে চালু হচ্ছে।’

দুবাই শহরে ফরহাদ মোহাম্মদের শো-পিস বা ঘর সাজানোর সামগ্রীর একটি দোকান রয়েছে। সেটি আপাতত খোলা রাখা গেলেও আগের মতো বেঁচাবিক্রি নেই বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে মূলত কাস্টমার ছিল ফরেন ভিজিটররা (বিদেশী দর্শনার্থীরা)। কিন্তু যুদ্ধের কারণে ভিজিটরের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। ফলে বেঁচাবিক্রিও সেভাবে হচ্ছে না।’

সৌদি আরব, কাতারসহ অন্য দেশগুলোতেও একই অবস্থা বলে জানিয়েছেন সেখানে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা।

সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিক হায়দার আলী বলেন, ‘এখানেই ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থা ভালো না। মালিকদের অনেকে ঠিকঠাক বেতন দিতে না পেরে লোক ছাঁটাই করে দিচ্ছে বলে শুনতেছি। এটা নিয়ে আমরাও ভয়ে আছি।’

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে প্রবাসী বাংলাদেশীদের এক বড় অংশই কাজ করেন নির্মাণশ্রমিক হিসেবে। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ নানান কারণে নির্মাণ শিল্পের মালামাল সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে।

কাতার প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রমিক নাজমুল হোসেন বলেন, ‘এর ফলে আমরা রেগুলার কাজ পাচ্ছি না। আরো কিছুদিন এভাবে চলতে থাকলে আমাদের না খেয়ে থাকা লাগবে।’

এর মধ্যে আবার খাবার-দাবারসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে।

নাজমুল বলেন, ‘এতে আমাদের জীবন আরো কঠিন হয়ে গেছে।’

সঙ্কট বহুমাত্রিক

বাংলাদেশের এক কোটি জনশক্তি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন, তাদের মধ্যে বেশিভাগই রয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যে। এর মধ্যে সৌদি আরবে প্রায় ২০ লাখ, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১০ লাখ, ওমানে সাত লাখ, কাতারে সাড়ে চার লাখ, বাহরাইনে দেড় লাখ এবং কুয়েতে প্রায় দেড় লাখ প্রবাসী কর্মী আছেন বলে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যে দেখা যাচ্ছে।

২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে যে ১১ লাখ ৩২ হাজার কর্মী বিদেশে কাজে গেছেন, তাদের মধ্যেও সোয়া নয় লাখের বেশি গেছেন জিসিসিভূক্ত দেশগুলোতে। ফলে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রেও ওইসব দেশের অবদান দেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) মোট প্রবাসী আয় এসেছিল প্রায় ৭৫৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে জিসিসিভুক্ত ছয়টি দেশ থেকে এসেছে প্রায় ৩৪৪ কোটি টাকা, যা মোট প্রবাসী আয়ের ৪৫ দশমিক ৪০ শতাংশ।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, ‘কিন্তু যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের ওইসব দেশের অর্থনীতির যে ক্ষতি হয়েছে, স্বাভাবিকভাবেই সেটির একটা নেতিবাচক প্রভাবে বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানি ও প্রবাসী আয়ের ওপর পড়বে।’

যদিও যুদ্ধের মধ্যেও গত কয়েক মাসে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় দেশে ঢুকেছে বলে জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সর্বশেষ গত এপ্রিলেও ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

শরিফুল হাসান বলেন, ‘দুই ঈদের আগে প্রতিবছরই রেমিট্যান্স বেশি আসে। এর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় প্রবাসীরা তাদের জমানো অর্থও দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। যার ফলে আপাতত মনে হচ্ছে, রেমিট্যান্সের ওপর প্রভাব পড়ছে না। কিন্তু নেতিবাচক প্রভাবটা আসলে টের পাওয়া যাবে আরো পরে, দীর্ঘমেয়াদে।’

ইতোমধ্যেই অনেকে চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরে আসতে শুরু করেছেন।

শরিফুল হাসান বলেন, ‘আবার ভিসা না পাওয়া, ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটাসহ নানান কারণে অসংখ্য কর্মী মধ্যপ্রাচ্যে যেতে পারছেন না। সব মিলিয়ে আমাদের জনশক্তিখাত বহুমাত্রিক সঙ্কটের দিকে ধাবিত হচ্ছে।’

এই সঙ্কট মোকাবিলা করার জন্য জনশক্তি রফতানির বিকল্প বাজার অনুসন্ধানের প্রতি জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বড় অংশই আসে রেমিট্যান্স থেকে। কাজেই এটা ঝুঁকিমুক্ত রাখতে না পারলে অর্থনীতিও ঝুঁকিতে পড়বে। আর রেমিট্যান্সের ঝুঁকি কমাতে হলে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে জনশক্তি রফতানির বিকল্প বাজার অবশ্যই খুঁজে বের করতে হবে।;

কী বলছে সরকার?

ইরান যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমশক্তির বাজারে যে সঙ্কট দেখা দিয়েছে, সরকারও সেটি স্বীকার করছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো: নুরুল হক বলেন, ‘এটা তো আসলে অস্বীকার করা উপায় নেই। তবে আমরা আশা করছি, যুদ্ধ থেমে গেছে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’

যদিও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্কট সহসাই কাটবে না বলে ধারণা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

শরিফুল হাসান বলেন, ‘গত কয়েক দশকে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার বা সৌদি আরব বিনিয়োগ ও ভ্রমণের জন্য একটা নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে যে ভারমূর্তি তৈরি করেছিল, সেটা এবারের যুদ্ধে ব্যাপকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। ফলে আগামী কয়েক বছরে মধ্যে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে মনে হচ্ছে না, বরং তেলের মূল্যবৃদ্ধি খাবারসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, সেটাও প্রবাসীদের ভোগাবে।’

মূলত সেই কারণেই জনশক্তি রফতানির বিকল্প বাজার অনুসন্ধানের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

যদিও সরকারও বলছে, বিকল্প বাজার হিসেবে তারা ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, পূর্ব এশিয়া এবং দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোতে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর পরিকল্পনা করছেন।

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এক্ষেত্রে ইতোমধ্যেই জাপানের সাথে একটি চুক্তি করা হয়েছে। এর আওতায় বর্তমানে অভিবাসন খরচ ছাড়াই কারিগরি ইন্টার্ন হিসেবে অনেক কর্মীকে জাপানে পাঠানো হচ্ছে। এভাবে আগামী পাঁচ বছরে সেদেশে অন্তত এক লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

জনশক্তি রফতানি সহজ করতে সরকার ডজনেরও বেশি দেশের সাথে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই করেছে বলেও জানানো হয়েছে।

কিন্তু জাপান কিংবা ইউরোপ-আমেরিকার মতো উন্নত দেশগুলোতে কর্মী রফতানির জন্য প্রয়োজন বিভিন্নখাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। সেদিকে কতটা নজর দিচ্ছে সরকার?

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার ১০৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ছয়টি সামুদ্রিক প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে তরুণদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। সেইসাথে, বিভিন্ন দেশের ভাষা শেখানোর জন্যও আলাদা কর্মসূচি চালু রয়েছে।’

সরকার বলছে, বন্ধ শ্রমবাজার চালুর জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

সম্প্রতি সংসদে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হলেন আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের শ্রমবাজার পুনরায় চালু ও সম্প্রসারণের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

সেইসাথে, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে রোমানিয়া, পর্তুগাল, সেশেলস, জাপান, রাশিয়াসহ নতুন আরো বেশকিছু গন্তব্যে কর্মী পাঠানো শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

সূত্র : বিবিসি