পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সম্মানে মালদ্বীপ প্রেসিডেন্টের চা-চক্র

দুই দেশের দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো জোরদার করা এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের লক্ষ্যে সরকারি সফরে খলিলুর রহমান আজ মালদ্বীপে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু এ চা-চক্রের আয়োজন করেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী  ড. খলিলুর রহমান
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান |সংগৃহীত

মালদ্বীপ সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সম্মানে আজ সন্ধ্যায় চা-চক্রের আয়োজন করেছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু।

মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিতে বর্তমানে মালদ্বীপ সফর করছেন খলিলুর রহমান।

দুই দেশের দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো জোরদার করা এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের লক্ষ্যে সরকারি সফরে খলিলুর রহমান আজ মালদ্বীপে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু এ চা-চক্রের আয়োজন করেন।

মালদ্বীপ সরকারের বিশেষ অতিথি হিসেবে ২৫ থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত দেশটি সফর করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এ সফরে তিনি মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবসের উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

আজ মালদ্বীপ পৌঁছালে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদাম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ড. খালিলুর রহমানকে স্বাগত জানান।

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে এ সফরকে ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করে মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আরো গভীর সম্পৃক্ততার পথ সুগম হবে।

মন্ত্রণালয়ের মতে, ‘এই সফর আগামী বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরো জোরদারের ভিত্তি তৈরি করবে।’

সফরকালে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ড. খলিলুর রহমান। এছাড়া তিনি মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদামের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ অংশীদারত্ব আরো শক্তিশালী করার উপায়, বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিস্তৃত ক্ষেত্র পর্যালোচনা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নতুন সহযোগিতার সুযোগ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

এছাড়া, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে মতবিনিময় করবেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা এবং আঞ্চলিক ও বহুপক্ষীয় ফোরামে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করবেন।

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বাণিজ্য, কর্মসংস্থান, পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। একইসাথে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশী প্রবাসী মালদ্বীপের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ড. খলিলুর রহমানের প্রথম সরকারি মালদ্বীপ সফর।

এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা থেকে কাতারের দোহা হয়ে মালদ্বীপে পৌঁছেছেন ড. খলিলুর রহমান। বাসস