দিল্লিতে খালেদা জিয়ার শোকবইতে যা লিখলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

এর আগে বুধবার খালেদা জিয়ার দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে এক ব্যক্তিগত চিঠি তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী এস জয়শংকর।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে খালেদা জিয়ার জন্য খোলা শোকবইতে স্বাক্ষর করছেন রাজনাথ সিং
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে খালেদা জিয়ার জন্য খোলা শোকবইতে স্বাক্ষর করছেন রাজনাথ সিং |সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনে খোলা শোকবইতে স্বাক্ষর করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে হাইকমিশনে যান রাজনাথ সিং। তিনি শোকবার্তায় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনার কথা জানান।

দুই দেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে রাজনাথের শোকবার্তায়।

এর আগে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে এক ব্যক্তিগত চিঠি খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর । চিঠিতে খালেদা জিয়ার সাথে তার এক সাক্ষাতের প্রসঙ্গ তুলে স্মৃতিচারণা করেন মোদি।

মোদি তার শোকবার্তায় লিখেছিলেন, ‘তিনি (খালেদা) বাংলাদেশের উন্নয়নে এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক মজবুত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।’

এর পরদিনই রাজনাথ দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পৌঁছে তার শোকবার্তায় স্বাক্ষর করলেন। লিখলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানাই। ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদারে তার উল্লেখযোগ্য অবদান সব সময় স্মরণ করা হবে।’

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস লিখেছে, ‘বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে ভারত ও বাংলাদেশের ইউনুস সরকারের সম্পর্ক ঘিরে দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে বহু রাজনৈতিক নেতার কণ্ঠ থেকে ভারতবিরোধিতার সুরও শোনা গেছে। এমন প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে হতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন। তার আগে নরেন্দ্র মোদি ও রাজনাথ সিংয়ের বার্তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ঢাকায় খালেদা জিয়ার অন্তিমযাত্রায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের উপস্থিতিও বেশ প্রাসঙ্গিক কূটনৈতিক মহলে।’