বাংলাদেশের রফতানি সামর্থ্য বাড়াতে চীনের আগ্রহ আছে : তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের রফতানি সামর্থ্য বাড়াতে চীন সরকারের প্রচণ্ড আগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি দ্বিপক্ষীয় এই বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক প্রয়োজনকে দু’দেশের বন্ধুত্বের মূল কৌশলগত ঐক্য এবং পারস্পরিক স্বার্থের জায়গা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

অনলাইন প্রতিবেদক
বক্তব্য দিচ্ছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন
বক্তব্য দিচ্ছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন |নয়া দিগন্ত

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দু’দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে বাংলাদেশের রফতানি সামর্থ্য বাড়াতে চীন সরকারের প্রচণ্ড আগ্রহ রয়েছে।

আজ শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে ‘লং লাইভ বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ’ শীর্ষক সেমিনারে একথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং বহুমাত্রিক সহযোগিতার সম্পর্ককে আরো সুসংহত করার লক্ষ্যে এ সেমিনারে আয়োজন করে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সমিতি।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, আজকের বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট, আজকের আঞ্চলিক ভূরাজনীতির যে প্রেক্ষাপট এবং বৈশ্বিক রাজনীতির যে প্রেক্ষাপট, তা বেশিভাগই অর্থনীতিকে কেন্দ্র করেই পরিচালিত হচ্ছে। পৃথিবীর অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এবং উৎস হিসেবে চীন আজকে আলোচিত। সংগত কারণেই আমাদের দেশের অর্থনীতিও- বিশেষ করে আমাদের বাণিজ্য পরিপূর্ণভাবে চীন নির্ভর হয়ে পড়েছে এবং সে কারণে আমরা চীনকে আমাদের অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যের প্রেক্ষাপটে যেমন বাধ্যবাধকতা আছে বন্ধুত্ব তৈরি করার, তেমনি আমাদের মধ্যে আন্তরিক আগ্রহ আছে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আমাদের অর্থনীতির প্রবাহিত এই স্ট্রাটেজিক টার্গেটের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু হতে পারে চীন। কেননা চীনের সেই সামর্থ্য আছে। চীন থেকে আমাদের বাণিজ্যের চিত্র প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার এবং এই ২০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে প্রায় সবটাই আমাদেরকে আমদানি করতে হয় চীন থেকে। আমাদের এখান থেকে আমরা এক বিলিয়ন ডলার রফতানি করতে পারি না।

তিনি বলেন, আমাদের এই রফতানি সামর্থ্য বাড়ানোর জন্য চীন সরকারের একটা প্রচণ্ড আগ্রহ আছে। এটাই হচ্ছে আমাদের বন্ধুত্বের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্ট। চীনের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব নিয়ে অন্য যে যাই ব্যাখ্যা করুক না কেন, চীনের এই আগ্রহ এবং আমাদের এই প্রয়োজন- এটাই হচ্ছে আমাদের দু’দেশের বন্ধুত্বের স্ট্রাটেজিক ইউনিটি পয়েন্ট, মিউচুয়াল ইন্টারেস্ট পয়েন্ট।