পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা এবং ইকো-ট্যুরিজমের প্রসারে বাংলাদেশ ও কানাডার একযোগে কাজ করার বড় সুযোগ রয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে এলে মন্ত্রী একথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে আমরা সকল জাতিগোষ্ঠীর মানুষ পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সমতার ভিত্তিতে বসবাস করছি। বর্তমান সরকার এই অঞ্চলের দুর্গম এলাকায় সকল প্রকার নাগরিক সেবা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে আরো শক্তিশালী করতে আমরা বদ্ধপরিকর।’
দীপেন দেওয়ান পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে কানাডা সরকারের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন, ‘কানাডা সবসময় বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে পাশে থেকেছে। আমরা চাই আগামীতে পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশ সুরক্ষা, বনায়ন, মানসম্মত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, স্যানিটেশন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কানাডা তাদের সহযোগিতার হাত আরো প্রসারিত করবে।’
আলোচনাকালে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান সুশাসন প্রতিষ্ঠা, পর্যটন শিল্পের আধুনিকায়ন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং নারী ক্ষমতায়ন ইস্যুতে দু’দেশের যৌথ অংশীদারিত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ ও কানাডার এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামীতে আরো সুদৃঢ় হবে।
কানাডিয়ান হাইকমিশনার অজিত সিং বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে তাদের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান হাইকমিশনের রাজনৈতিক কাউন্সেলর মার্কাস ডেভিস, ফার্স্ট সেক্রেটারি (ডেভেলপমেন্ট) জোসেফ ম্যাকিনটোশ ও ডেভেলপমেন্ট অ্যাডভাইজার ফারজানা সুলতানা।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, যুগ্ম সচিব কাজী তোফায়েল হোসেন ও মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) রবীন্দ্র চাকমাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



