বাংলাদেশ বৈশ্বিক পর্যায়ে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও অস্ত্র বিস্তার রোধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। একইসাথে পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলোকে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) আওতায় তাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।
গতকাল নিউইয়র্কে জাতিসঙ্ঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলনে বাংলাদেশ এ আহ্বান জানায়।
আজ বুধবার প্রাপ্ত এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়।
সম্মেলনের সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জাতিসঙ্ঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, জাতিসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার আট দশক পরেও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্বের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি।
তিনি সতর্ক করে বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার অব্যাহত থাকলে তা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করবে এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষাকেও বাধাগ্রস্ত করবে।
বাংলাদেশের নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, দেশটি দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং পারমাণবিক শক্তিধর অঞ্চলে অবস্থান করেও স্বেচ্ছায় পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত নীতি বজায় রেখেছে।
রাষ্ট্রদূত এনপিটির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলোর আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণের আহ্বান জানান এবং নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত সব চুক্তি সর্বজনীন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সংলাপ, আস্থা-বৃদ্ধিমূলক উদ্যোগ এবং সমষ্টিগত কার্যক্রমের মাধ্যমে বৈশ্বিক নিরস্ত্রীকরণ প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যার লক্ষ্য পারমাণবিক হুমকি মুক্ত একটি নিরাপদ বিশ্ব গঠন।
সূত্র : বাসস



