পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সাথে আজ সচিবালয়ের তার দফতরে জার্মান সংসদ (বুন্দেস্তাগ)-এর পরিবেশ কমিটির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সময় আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বন্ধু প্রতিম উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক দীর্ঘদিনের ভিত্তিতে দৃঢ় ও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা বাণিজ্য, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং পরিবেশগত অংশীদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করেছে।
বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জগুলো কার্যকরভাবে মোকাবেলার লক্ষ্যে বাংলাদেশের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির বাস্তবায়নে জার্মানির কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়াও সভায় ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট, গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময়, সার্কুলার অর্থনীতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পানি পুনঃব্যবহার এবং সর্বোপরি এনভায়রমেন্টাল গভর্নেন্স অর্জনের লক্ষ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
পাশাপাশি জ্বালানি দক্ষতা ও গ্রিন কুলিং, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নেও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানি জিআইজেড এবং কেএফডব্লিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সহায়তায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, যা দেশের জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন এবং এনভায়রমেন্টাল গভর্নেন্স জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি আরো জানান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতে জলবায়ু ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জার্মানির সাথে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।
বৈঠকে ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ(বিসিডিপি)’ বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দেয়া হয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে জলবায়ু অর্থায়ন আহরণ, নীতিগত সংস্কার ত্বরান্বিতকরণ, উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং জ্ঞান বিনিময় সহজতর করার ক্ষেত্রে জার্মান সরকারের সহযোগিতা কামনা করা হয়। কার্বন মার্কেট থেকে কার্বন ক্রেডিট অর্জনের ক্ষেত্রেও জার্মানির সহায়তা প্রত্যাশা করা হয়।
জার্মান প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নে তাদের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করে।
বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সচিব, অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন), অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাসস



