চীনের সাংহাইভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনে (ডব্লিউএআইসিও) প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষক (অবজারভার) হিসেবে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ।
শনিবার (১ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চলতি বছরের ১৬ জুলাই সাংহাইভিত্তিক আন্তঃসরকারি এ সংস্থাটি গঠিত হয়।
ডব্লিউএআইসিওর ঘোষিত লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে—উদ্ভাবনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা, বৈশ্বিক ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বৈশ্বিক উন্নয়নের জন্য উন্মুক্ত, ন্যায্য ও বৈষম্যহীন পরিবেশ গড়ে তোলা এবং এআই প্রযুক্তি যেন মানবকল্যাণে নিরাপদ ও উপকারীভাবে ব্যবহৃত হয়, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এগিয়ে নেয়া।
গত ১৬ জুলাই সাংহাইয়ে ২৯টি দেশ ডব্লিউএআইসিও প্রতিষ্ঠার চুক্তিতে সই করে।
চীনের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এছাড়া কাজাখস্তান, লাওস, পাকিস্তান, রাশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াসহ ২৯টি দেশের প্রতিনিধিরা চুক্তিতে সই করে তাদের দেশকে ডব্লিউএআইসিওর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন।
জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসও বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি অনুযায়ী, সংস্থাটি জাতিসঙ্ঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালা সমুন্নত রাখবে এবং ব্যাপক পরামর্শ, যৌথ অবদান ও অংশীদারত্বের ভিত্তিতে জনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করবে।
এআই যেন নিরাপদ, ন্যায্য ও মানবকল্যাণে ব্যবহৃত হয়, তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বৈশ্বিক সুশাসন জোরদার করার পাশাপাশি এ প্রযুক্তির স্বাস্থ্যকর ও সুশৃঙ্খল বিকাশে কাজ করাই হবে সংস্থাটির অন্যতম লক্ষ্য।
সূত্র : ইউএনবি



