প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সদ্যসমাপ্ত জাপান সফরকে অত্যন্ত সফল আখ্যা দিয়েছেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম। এ সফরের কারণে জাপান থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়বে বলে আশাবাদী তিনি।
রোববার (১ মে) বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা জাপান সফরটি অত্যন্ত সফল। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সম্পর্ক আরো গভীর ও দৃঢ় হয়েছে।’
ব্রিফিংয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘বড় বড় জাপানি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বড় পরিসরে বিনিয়োগে আসবেন।’
জাপানে দেশীয় জনশক্তি রফতানি সম্পর্কে প্রেস সচিব বলেন, ‘এ সফরে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি টাস্কফোর্স এরমধ্যেই গঠন করা হয়েছে। সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া হলে বাংলাদেশ জাপানে আরো জনশক্তি পাঠাতে পারবে।’
শফিকুল আলম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আগামী পাঁচ বছরে ১ লাখ জনশক্তি পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জাপান বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জনশক্তি রফতানি গন্তব্য হবে।’
গেল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও জাপান দুটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে। বাংলাদেশের কর্মশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জাপানে তাদের কর্মসংস্থান সহজ করার উদ্দেশে এ দুটি সমঝোতা হয়।
ওই অনুষ্ঠানে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। একই দিন প্রধান উপদেষ্টা ‘৩০তম নিক্কেই ফোরাম : ফিউচার অব এশিয়া’তে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন।
অধ্যাপক ইউনূস নিক্কেই ফোরামের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মাদের সাথে বৈঠক করেন এবং বাংলাদেশকে আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থনের আহ্বান জানান।
শুক্রবার সোকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ইউনূসকে সামাজিক উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেয়া হয়।



