রাজধানীর তুরাগে রেজিনা মমতাজ হত্যা মামলায় গ্রেফতার ২

গ্রেফতাররা হলেন নূরে আলম বাঘ (৪৭) ও মো. রাসেল মাদব্বর ওরফে রাসেল ইসলাম জনি (২৫)।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

Location :

Dhaka City

রাজধানীর তুরাগে রেজিনা মমতাজ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনসহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে তুরাগ থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্রেফতাররা হলেন নূরে আলম বাঘ (৪৭) ও মো. রাসেল মাদব্বর ওরফে রাসেল ইসলাম জনি (২৫)।

তুরাগ থানা সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর তুরাগ থানার ১৫ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে ভুক্তভোগী রেজিনা মমতাজ (৫৯) স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতেন। গত সোমবার রাত সোয়া ৯টার দিকে রেজিনা মমতাজের স্বামী তারাবির নামাজ আদায় শেষে বাসায় ফিরে দেখতে পান— রেজিনা মমতাজের হাত-পা কাপড় দিয়ে বাঁধা এবং নাক-মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো অবস্থায় মেঝেতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন। তাদের ঘরের মালামাল এলোমেলো ছিল।

তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, রাত সোয়া ৮টার দিকে মুখোশধারী অজ্ঞাত দু’জন ব্যক্তি বাসায় প্রবেশ করে ভুক্তভোগীর হাত-পা বেঁধে ও নাক-মুখে স্কচটেপ পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে এক জোড়া স্বর্ণের চুড়ি, একটি স্বর্ণের চেইন ও একটি স্বর্ণের নাকফুল নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় তুরাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে তুরাগ থানা পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অভিযান চালিয়ে নূরে আলমকে তুরাগ থানাধীন ১৫ নম্বর সেক্টর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্ধ্যা ৭টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১২ নম্বর সেক্টরের একটি অফিস থেকে লুণ্ঠিত এক জোড়া স্বর্ণের চুড়ি, একটি স্বর্ণের চেইন, একটি পিতলের নাকফুল ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত স্কচটেপ ও ভাঙা চশমা উদ্ধার করা হয়। একইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উত্তরা উত্তর মেট্রো স্টেশন এলাকা থেকে মো. রাসেল মাদব্বর ওরফে রাসেলকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বাসস