সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসু গ্রেফতার, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা

গ্রেফতার আবুল হাসেম ওরফে হাসু আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটি এলাকার মরহুম ফজর আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর, আদাবর, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন থানায় ১০টির বেশি মামলা রয়েছে। হাসুকে গ্রেফতারের সময় পুলিশের গাড়িকে বাধা দেন কয়েকজন নারী। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে হাসুকে থানায় নিয়ে আসা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসু গ্রেফতার
সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসু গ্রেফতার |নয়া দিগন্ত

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসেম হাসুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের সময় হাসুর অনুসারীরা পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। এ সময় স্থানীয় বিক্ষুব্ধ নারীরা পুলিশের গাড়ি অবরুদ্ধ করে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর আদাবরের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান।

আদাবর থানা পুলিশ বলছে, চব্বিশের আন্দোলন ঠেকাতে বলপ্রয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগের পাশাপাশি আরো কিছু অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে আত্মগোপনে থাকা আদাবর থানার সাবেক সভাপতি হাসু প্রায় দেড় বছর পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে বাসায় আসেন।

গোপন সংবাদ পেয়ে আদাবর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আদাবর থানার ওসি জানান, গ্রেফতার আবুল হাসেম ওরফে হাসু আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটি এলাকার মরহুম ফজর আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর, আদাবর, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন থানায় ১০টির বেশি মামলা রয়েছে। হাসুকে গ্রেফতারের সময় পুলিশের গাড়িকে বাধা দেন কয়েকজন নারী। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে হাসুকে থানায় নিয়ে আসা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , এই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ রয়েছে। জমি দখল, চাঁদাবাজি, মাদককারবারি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে এলাকায় অপরাধের ত্রাস কায়েম করতেন কাউন্সিলর আবুল হাসেম ওরফে হাসু।

কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে গড়ে তুলেছিলেন ক্যাডার বাহিনী। আদাবর ও শ্যামলী এলাকায় অর্ধশতাধিক প্লট ও ফ্ল্যাট দখল করার অভিযোগ রয়েছে হাসুর বাহিনীর বিরুদ্ধে। এছাড়া সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।