বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের সীমান্ত এলাকাসহ অন্যান্য স্থানে অভিযান চালিয়ে সর্বমোট ১ হাজার ৯০৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকারের চোরাচালান পণ্যসামগ্রী জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিজিবি।
এতে বলা হয়, জব্দকৃত চোরাচালান পণ্যের মধ্যে রয়েছে- ৬০ কেজি ৫৫৬ গ্রাম স্বর্ণ, ১৬৮ কেজি ২৪১ গ্রাম রৌপ্য, ১,৭১,১৯০টি শাড়ি, ১,২৬,৭৭৯টি থ্রিপিস/শার্ট পিস/চাদর/কম্বল, ১,৩৩,৩৩৮টি তৈরী পোশাক, ১,০৫,৩৭১ মিটার থান কাপড়, ৬৮,৭৬,৬১১টি কসমেটিক্স সামগ্রী, ৯৮,৭০৬টি ইমিটেশন গহনা, ২,০৭,৪৬,১৪৪ আতশবাজী, ১১,৬৫,৪৮৯ কেজি চিনি, ৩৭,৬১৮.৫ কেজি চা পাতা, ৩,০৫,৪৩৮ কেজি পিঁয়াজ, ৭০,২৯৩ কেজি রসুন, ২,৩৫,৮৪৩ কেজি জিরা, ১,৪০,২৭৪ ঘনফুট কাঠ, ১৯,৩০০ ঘনফুট পাথর, ৪,৫৫,৭৫২ কেজি কয়লা, ১৩টি কষ্টি পাথরের মূর্তি, ১,০২,৯১২ কেজি সার, ৩৪,৫৩১ প্যাকেট বিভিন্ন প্রকার বীজ, ৪,২০১ লিটার ডিজেল/পেট্রোল/অকটেন, ৯,০১৩টি মোবাইল, ১,২৩,২৪৭টি মোবাইল ডিসপ্লে, ৪,৭৭,৬৯৪পিস চশমা, ৩৩,৪৬,৮৪৮ পিস চকলেট, ১২,২৯৪টি গরু/মহিষ এবং ১,৭০৮টি বিভিন্ন প্রকার যানবাহন।
একই সময়কালে উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে- ৬৪টি পিস্তল, ২টি এসএমজি, ১৯টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ১০টি রাইফেল, ৩টি রিভলভার, ৫৬টি বিভিন্ন প্রকার গান, ১,৫০৯টি গোলাবারুদ, ৫৭টি ম্যাগাজিন, ৮টি মর্টার শেল, ৭৩,১০০টি সীসার গুলি, ২০.০৫ কেজি গান পাউডার, ৪টি মাইন, ৭৯টি হাত বোমা, ৪০টি পেট্রোল বোম, ১৭৮টি ককটেল এবং ২৫টি অন্যান্য অস্ত্র।
এছাড়া গত বছর বিজিবি কর্তৃক বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। এ সময়ে ১,৪৭,১৪,২৯৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১০ কেজি ৪০৮ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ১,৩৩,৩৯৬ বোতল ফেনসিডিল, ১,৩০,৫৪৬ বোতল বিদেশী মদ, ২,৬৭৩ লিটার ৭৫ গ্রাম বাংলা মদ, ১২,৬৭৮ ক্যান বিয়ার, ২২,১৩৭ কেজি গাঁজা, ৫৫ কেজি ৬৩৬ গ্রাম হেরোইন, ১৩ কেজি ৬৪৭ গ্রাম কোকেন, ৮৪ বোতল এলএসডি, ৪,২৬,৭০৫টি অ্যানেগ্রা/সেনেগ্রা ট্যাবলেট, ১,০৫,৭৬৫টি ইস্কাফ সিরাপ, ১,১৪,৫৮,৬৯৩টি বিভিন্ন প্রকার ওষুধ, ১,৬৪৯ বোতল এমকেডিল/কফিডিল এবং ৬,৯৪,০৮২টি নেশাজাতীয় ও উত্তেজক ইনজেকশন।
এছাড়াও ২০২৫ সালে সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ২,৩৩৪ জনকে এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৪,২৩৮ জন বাংলাদেশী নাগরিক, ১২৪ জন ভারতীয় নাগরিক এবং ৭,৩৬৮ জন মিয়ানমার নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।



