সাভার ও যাত্রাবাড়ী থেকে ৬ কোটি টাকার সাপের বিষসহ গ্রেফতার ৩

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সাভার ও যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে তাদেরকে সাপের বিষসহ গ্রেফতার করা হয় বলে র‌্যাব-৪’র পক্ষ থেকে শুক্রবার জানানো হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
প্রতীকী ছবি

সাভার ও রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ৬ কোটি মূল্যের ৯১০ গ্রাম প্রক্রিয়াজাত ও তরল সাপের বিষ উদ্ধার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৪।

এসময় চোরাচালান চক্রের মূলহোতাসহ তিন প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সাভার ও যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে তাদেরকে সাপের বিষসহ গ্রেফতার করা হয় বলে র‌্যাব-৪’র পক্ষ থেকে শুক্রবার (৭ আগস্ট) জানানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলের মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে আব্দুর রহমান (৩২), নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের লালপুরের আব্দুল মালেকের ছেলে শাহজাহান (৬২) ও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার হাওলাদার বাড়ির চান মিয়ার ছেলে নান্না মিয়া (৪২)।

র‌্যাব-৪ জানায়, দুই চোরাকারবারি সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য ঢাকা জেলার সাভার থানা রোডের সামনে অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ ও র‌্যাব-৩’র দুটি অভিযানিক দল যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ২০ গ্রাম প্রক্রিয়াজাত পাউডার আকারে কথিত সাপের বিষ ও ১০ গ্রাম কথিত তরল সাপের বিষ এবং ক্রয় বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল এবং দুটি বাটন মোবাইলসহ চোরাকারবারি মো: শাহজাহান ও মো: নান্না মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাচালান চক্রের মূলহোতা আব্দুর রহমানকে ৪৫০ গ্রাম (প্লাস্টিকের কৌটাসহ) প্রক্রিয়াজাত পাউডার আকারে কথিত সাপের বিষ ও ৪৩০ গ্রাম কথিত তরল সাপের বিষ (প্লাস্টিকের কৌটাসহ) এবং ক্রয় বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলসহ গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত চোরাকারবারিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা সকলে আমদানি ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ সাপের বিষ চোরাচালান চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন দেশ থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে সাপের বিষ সংগ্রহ করে ভিন্ন দেশে পাচারের মাধ্যমে অধিক মুনাফা অর্জন করে আমদানি ও ক্রয় বিক্রয় নিষিদ্ধ সাপের বিষের অবৈধ ব্যবসা করে আসছে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছে র‌্যাব-৪।

সূত্র : বাসস