প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে আগুন : ৩ জন কারাগারে

চার দিনের রিমান্ড শেষে আজ বৃহস্পতিবার তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অপর দিকে আসামিদের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
কারাগার
কারাগার |ইন্টারনেট

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের স্টোর রুমে আগুন ও ল্যাপটপসহ মালামাল চুরির ঘটনায় করা মামলায় অধিদফতরের গবেষণা কর্মকর্তা ও স্টোর ইনচার্জ মো: জিয়াদ আলী বিশ্বাসসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

কারাগারে যাওয়া অন্য দুই আসামি হলেন স্টোর কিপার (মাস্টার রোল) হুমায়ুন কবির খান ও ডাটা এন্টি অপারেটর শহিদ হোসাইন।

চার দিনের রিমান্ড শেষে আজ বৃহস্পতিবার তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অপর দিকে আসামিদের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মিরপুর মডেল থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম রাসেল বাসসকে এ কথা জানিয়েছেন।

এর আগে, ৩ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম গ্রেফতারকৃতদের এ মামলায় চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজহার থেকে জানা যায়, গত ১ মে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মিরপুর-২ নম্বরে অবস্থিত নতুন ভবনের দ্বিতীয়তলার স্টোর রুমে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম ১৫-২০ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ১ মে অজ্ঞাতনামা পাঁচজন কৌশলে তালা ভেঙে স্টোর রুমে প্রবেশ করে।

এই ঘটনায় স্টোরে থাকা ৭৩৫টি ল্যাপটপের মধ্যে ৩৩টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, ২৯টি অধিক মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত ও ১৪০টি সম্পূর্ণ পোড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া ৮৩টি ল্যাপটপ পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো: সাজ্জাদ হোসেন একটি মামলা দায়ের করেন।