প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম ও অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি দিনাজপুর জেলা কমিটি।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে পরীক্ষা বাতিল করে নতুনভাবে পরীক্ষার জন্য দাবি জানিয়েছে ছাত্র শক্তি নেতাকর্মীরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জুলাইযোদ্ধা একরামুল হক আবির। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় শতাধিক পরীক্ষার্থী ইলেকট্রনিক ডিভাইস দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে। আর এ ঘটনায় ১৬টি ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ মাত্র ১৮ জনকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আটক করেছে। আটক এড়িয়ে অসংখ্য পরীক্ষার্থী ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা দিয়েছে।’
উল্লেখ্য, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে জেলার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে ডিভাইসহ পরীক্ষার্থী ও তার চক্রদের আটক করা হয়।
দিনাজপুর জেলার যেসব কেন্দ্রে ডিভাইসসহ পরীক্ষার্থী আটক হয়েছেন সেই কেন্দ্রগুলো হলো— ক্রিসেন্ট কিন্ডারগার্টেন গার্লস হাইস্কুল থেকে দু’জন, দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে একজন, কাদের বক্স মেমোরিয়াল কলেজ থেকে দু’জন, দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন, দিনাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন, দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজ থেকে একজন, দিনাজপুর জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন, দিনাজপুর মিউনিসিপাল হাই স্কুল থেকে একজন, দিনাজপুর নূরজাহান কামিল মাদরাসা থেকে চারজন, দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে একজন এবং কেরি মেমোরিয়াল হাই স্কুল থেকে একজন।
দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



