চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথর ঘাটা ইউনিয়নের তিনবারের নির্বচিত চেয়ারম্যান হাজী ছাবের আহমেদ রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছন।
তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
হঠাৎ আওয়ামী রাজনীতিসহ সকল প্রকার রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা জনমনে নানান প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
অনেকে বলেন, তিনি একজন ভালো মানুষ তার দ্বারা রাজনীতিতে এসে নোংরামি করা সম্ভব নয়। কেননা তিনি তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এবং একজন সফল ব্যবসায়ী। আবার অনেকে বলে ভিন্ন কথা। তিনি আগামীতে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য আওয়ামী লীগের দেয়া পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।
এদিকে আওয়ামী নেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি আগে কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন না। বছর কয়েক আগে তাকে দলে স্থান দিয়ে দলের যে ক্ষতি হয়েছে তা কখনো পূরণ হবার নয়। কেননা তাকে দলে স্থান দিতে গিয়ে অনেক ত্যাগী নেতাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।
তারা আরো বলেন, তার মধু খাওয়া শেষ হয়েছে। তাই তিনি পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। তার অব্যাহতিতে আওয়ামী রাজনীতিতে কোনো রকম প্রভাব পড়বে না বলেও তার মন্তব্য করছেন।
এ বিষয়ে হাজী ছাবের আহমেদ বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথর ঘাটা ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি। একই সাথে কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত ছিলাম। তবে পদটি আমাকে জেলা নেতারা স্ব প্রণোদিতভাবে দিয়েছিলো। আমি কখনো রাজনীতি করতাম না। কখনো মিটিং মিছিলেও যেতাম না। আমি একজন ইউপি চেয়ারম্যান হিসাবে সর্বদা শৃঙ্খলা, নীতিমালা, স্থানীয় সরকার আইন মেনে ও সততার আদর্শ অনুসরণ করে চলার চেষ্টা করেছি। বর্তমানে ব্যক্তিগত শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক ক্লান্তিজনিত কারণে আমি কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে যথাযতভাবে দায়িত্ব পালনে অপারগতা বোধ করছি। ফলে সম্পূর্ণ সেচ্ছায় ও সুস্পষ্ট সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ওই পদ হতে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আজ আমি অব্যাহতি নিয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমি সমাজসেবা করতে চাই।



