মতলব দক্ষিণ (চাঁদপুর) সংবাদদাতা
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক যাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনায় মতলব-বাবুরহাট-গৌরীপুর-পেন্নাই সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন ও স্থানীয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে (মতলব-ঢাকা-মুন্সিরহাট-বাবুরহাট) রুটে চলাচলকারী মতলব এক্সপ্রেস, জৈনপুর পরিবহন ও জৈনপুর এক্সপ্রেস নামক তিনটি বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এর আগে, বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে সড়কের রালদিয়া এলাকায় জৈনপুর পরিবহন নামের একটি বাস সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজির একজন যাত্রী মারা যায় ও চালকসহ আরো তিনজন গুরুতর আহত হন।
এ দুর্ঘটনার প্রতিবাদে সকাল থেকে শহরের পানির ট্যাংকি এলাকায় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও উত্তেজিত ছাত্র-জনতা জড়ো হতে থাকে। এ সময় বাসগুলো এই পথ অতিক্রম করার সময় পানির ট্যাংকি এলাকায় বন্ধ করে রাখা হয়।
নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক বদিউল আলম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির হোসেন বলেন, লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি, লাইসেন্সবিহীন চালক মতলববাসীর জন্য মৃত্যুফাঁদ। এই বাসগুলো ঝুঁকি নিয়ে দ্রুত গতিতে চালায়। তিন মাস আগে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা দিলেও এদের বিরুদ্ধে এখনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমরা চাই এসব বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হোক।
স্থানীয়দের দাবি, মতলবের জৈনপুর পরিবহন, জৈনপুর এক্সপ্রেস, মতলব এক্সপ্রেস গাড়ির লাইসেন্স, ফিটনেসসহ অন্যান্য কাগজপত্র না থাকায় এগুলো এ সড়কে চলতে পারবে না। আমরা সড়কে আর কোনো তাজা প্রাণ হারাতে চাই না। গাড়িগুলোর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রশাসনিকভাবে তদারকির দাবি করছি।
মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, ছাত্র-জনতার প্রতিনিধি, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, গাড়ির মালিক ও চালকদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও যাত্রীদের ভোগান্তি রোধে পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে।



