বেনাপোল বন্দরে ঘোষণা বহির্ভূত ১৭ টন পাটের বীজ জব্দ

ঘাসের বীজ ঘোষণা দিয়ে ভারতীয় একটি ট্রাকে এক হাজার ৫০০ বস্তায় ৪৫ টন ৬০০ কেজির পণ্য আমদানি করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় কোটি টাকা।

রাশেদুর রহমান রাশু, বেনাপোল (যশোর)

Location :

Jashore
বেনাপোল বন্দরে জব্দ করা পাটের বীজ
বেনাপোল বন্দরে জব্দ করা পাটের বীজ |নয়া দিগন্ত

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে ঘোষণা বহির্ভূত ও আমদানি নিষিদ্ধ ১৭ টন ১০০ কেজি পাটের বীজ জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় কোটি টাকা।

রোববার (৮ মার্চ) রাতে ভারত থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আরাফাত এন্টারপ্রাইজ এবং সিএন্ডএফ অ্যাজেন্ট মেসার্স কদর অ্যান্ড কোং-এর মাধ্যমে পাটের চালানটি বন্দরে প্রবেশ করে। ঘাসের বীজ ঘোষণা দিয়ে ভারতীয় একটি ট্রাকে এক হাজার ৫০০ বস্তায় ৪৫ টন ৬০০ কেজির পণ্য আমদানি করা হয়।

জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বেনাপোল স্থলবন্দর ইউনিট বিষয়টি বেনাপোল কাস্টম হাউসের কমিশনারকে জানান। পরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পণ্যের চালানটি পরীক্ষা করলে ৫৬৭ বস্তায় ১৭ টন ১০০ কেজি ঘোষণা বহির্ভূত পাটের বীজ পায়।

কাস্টমস সূত্র জানায়, অত্যন্ত কৌশলে ঘাসের বীজের আড়ালে এই পাটের বীজ আমদানি করা হয়েছিল। বর্তমানে সরকার কর্তৃক পাটের বীজ আমদানির অনুমোদন না থাকায় এটি আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য হিসেবে গণ্য।

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ অ্যাজেন্টের বিরুদ্ধে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।

বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানান, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাধ্যমে জানতে পেরে পণ্য চালানটি পরীক্ষা করে ঘোষণা বহির্ভূত ১৭ টন পাটের বীজ পাওয়া গেছে। যা ঘাসের বীজ ঘোষণা দিয়ে আনা হয়েছে। মিথ্যা ঘোষণার অপরাধে আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ অ্যাজেন্টকে আইনের আওতায় আনা হবে।