মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার হোসেন্দী ইউনিয়নের ভাটি বলাকি গ্রামে জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে মৃত্যু হওয়া ৩৬টি গরুর ২৯ জন মালিককে ৩০ হাজার টাকা করে অনুদান দিয়েছে জেলা পরিষদ।
রোববার (২৫ মে) বিকেলে ভাটি বলাকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে জেলা প্রশাসকে উদ্যোগে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাত জানান, বিপদকালীন সময়ে আপনাদের পাশে এসে দাঁড়াতে পেরেছি । আপনাদের পাশে দাঁড়াতে পেরে আপনাদের কিছু সহায়তা দিতে ভালো লাগছে।
তিনি আরো বলেন, আপনাদের ক্ষতির পরিমাণ পুরোপুরি সহায়তা করতে পারিনি। প্রতিটি গরু প্রতি ৩০ হাজার টাকা এবং ৩০ কেজি করে চাল প্রাথমিক অবস্থায় সহায়তা দেয়া হলো।
ভাটি বলাকি গ্রামের যুবকদের কৃষি নির্ভর এবং গরু লালন-পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে লেখাপড়া করে উচ্চ পর্যায়ে মর্যাদা অর্জনের সক্ষম হওয়ার আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক। এ সময় গ্রামবাসীর অনুরোধে ভাটি বলাকি গ্রামের জনগণের ভবিষ্যৎ কল্যাণ নিশ্চিতে নদী সংলগ্ন নতুন জেটি নির্মাণে অনুদানের প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন তিনি।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও গরু মালিকদের পর্যায়ক্রমে আরো অনুদান দেয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মামুন শরীফ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাণ ও দুর্যোগ অধিদপ্তর কর্মকর্তা, হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদ সচিব, একাধিক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এর আগে, গত শুক্রবার (২৩ মে) বিকেলে ভাটি বলাকি গ্রাম সংলগ্ন খালে জোয়ারের পানির তোড়ে ভেসে যায় প্রায় শতাধিক গরু। এরপর অন্তত ৩৬টি গরু মরে ভেসে ওঠে। ওই ৩৬ গরুর ২৯ জন ক্ষতিগ্রস্ত মালিককেই আজ সহায়তা দেয়া হলো।



