পুরনো আইন দিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় : এমপি আবুল খায়ের

‘মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে আরো কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে নতুন মাদকবিরোধী আইন প্রণয়নের জন্য বিল আনা হয়েছে।’

Location :

Raipur
বক্তব্য রাখছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া
বক্তব্য রাখছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া |নয়া দিগন্ত

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেছেন, ‘বর্তমান বাস্তবতায় পুরনো আইন দিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন দেশে গণতান্ত্রিক সরকার না থাকায় মাদককারবারিরা তাদের নেটওয়ার্ক অনেক গভীরে বিস্তার করেছে। তাই মাদক নির্মূলে কার্যকর ও সময়োপযোগী আইন প্রণয়নে সরকার কাজ করছে।’

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার মধ্য সাগরদী জামে মসজিদের সামনে বামনী ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে আয়োজিত মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজিবিরোধী মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেন, ‘মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে আরো কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে নতুন মাদকবিরোধী আইন প্রণয়নের জন্য বিল আনা হয়েছে। একইসাথে জুয়া প্রতিরোধেও কঠোর আইন করা হচ্ছে। সরকার দীর্ঘমেয়াদিভাবে মাদককারবারিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।’

বামনী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাহারুল আলমের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ আইন সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও আলফা স্টার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, রায়পুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি এলাকায় মাদক সেবন ও বেচাকেনা, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা এবং চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব অপরাধ দমনে প্রশাসনের আরো কঠোর ভূমিকা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। পাশাপাশি মাদকমুক্ত, কিশোর গ্যাংমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

কর্মসূচিতে এলাকার সচেতন নাগরিক, যুবসমাজ, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বক্তারা সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলে অপরাধমুক্ত সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।