ড. রেজাউল করিম

ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে জনগণের প্রকৃত সমর্থন কেড়ে নেয়া হয়েছে

ড. রেজাউল করিম বলেন, “ভোট দেয়া মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। মানুষ কোথায় ভোট দেবে, সে কারণে যদি জুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে হয়, তাহলে তা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। এতে পুরোনো ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি ফিরে আসার আশঙ্কা থাকে।”

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

Location :

Lakshmipur
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চৌপল্লী কেডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ড. রেজাউল করিম
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চৌপল্লী কেডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ড. রেজাউল করিম |নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং ও ‘ম্যানেজড’ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত সমর্থন ও মতামতের প্রতিফলন কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের চৌপল্লী কেডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সদর উপজেলা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ড. রেজাউল করিম বলেন, “ভোট দেয়া মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। মানুষ কোথায় ভোট দেবে, সে কারণে যদি জুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে হয়, তাহলে তা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। এতে পুরোনো ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি ফিরে আসার আশঙ্কা থাকে।”

তিনি অভিযোগ করেন, ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং ও পরিকল্পিত নির্বাচনী ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত সমর্থনের প্রতিফলন ঘটতে দেয়া হয়নি।

লক্ষ্মীপুরের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “এবার ১ লাখ ২৩ হাজার মানুষ আমাদের প্রতি সমর্থন, ভালোবাসা ও আস্থা প্রকাশ করেছেন। অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে আমাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ভোট দিতে গিয়ে কেউ কেউ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, এমনকি মা-বোনদেরও লাঞ্ছিত হতে হয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, “আমরা তাকওয়া-ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলেছি। ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছি। খোলাফায়ে রাশেদীনের শাসনামলে যেভাবে সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা হতো, আমরা সেই আদর্শ অনুসরণের কথা বলেছি। দেশের মানুষ আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন।”

উত্তর জয়পুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আলাউদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের আমির নুর মোহাম্মদ রাসেল। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা হারুনুর রশিদ, খালেদ সাইফুল্লাহসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।