গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার মেঠোপথে নির্মিত করা হয়েছে একটি কালভার্ট। প্রায় দেড়যুগ আগে এটি নির্মাণ করা হলেও অদ্যবদিও দেয়া হয়নি সংযোগ সড়ক। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মানুষ চলাচল করতে না পারায় নিঃসঙ্গভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই কালভার্টটি।
উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নে বুজরুক পাকুরিয়া গ্রামের এছাহাক আলীর বাড়ি থেকে বেলাল হোসেনের বাড়ি থেকে পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার মাঝখানে দেড়যুগ পূর্বে ছয় লাখ টাকা ব্যয়ে খালের ওপর কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানায় স্থানীয়রা।
সম্প্রতি সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই রাস্তা দিয়ে যুগ যুগ ধরে এলাকার মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতেন। একপর্যায়ে রাস্তার আশেপাশের কৃষিজমির পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়। এসডিএফ নামের সংস্থার অর্থায়নে প্রায় ছয় লাখ টাকা ব্যয়ে কালভার্টটি নির্মিত করে। সেটি নির্মাণের প্রায় ১৮ বছর পেরিয়ে গেলেও সংযোগের জন্য মাটি ভরাট করা হয়নি এখনো। এমতাবস্থায় বন্ধ হয়েছে মানুষের চলাফেরা। যুগযুগ ধরে হাঁটাপথের ওপর ব্যবহার অনুপযোগী ওই কালভার্ট নির্মিত হওয়ায় এখন এলাকাবাসী হারিয়ে ফেলেছেন তাদের চলাচলের পূর্বের পথটিও। তবে কতিপয় লোকজন বিশেষ প্রয়োজনে মই বেয়ে ওঠে চলাচল করছে।
স্থানীয় নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের গেল ১৭ বছরেও ওই কালভার্টের সংযোগ রাস্তায় মাটি ভরাট না করায় এ পথে চলাচল করতে পারছি না। এলাকার শত শত মানুষকে বিকল্প সড়ক ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে। ফলে আমরা নানান দুর্ভোগে পড়েছি। রাস্তাটিতে মাটি ভরাট করা হলে মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।’
খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) প্যানেল চেয়ারম্যান নওশা মিয়া বলেন, ‘ওই রাস্তার ওপর কালভার্টটি অনেক উঁচু করে নির্মাণ করা হয়েছে। সংযোগে মুখে মাটি ভরাটের প্রকল্প পেলে তা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে সাদুল্লাপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মইনুল হকের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।’


