বরিশালের মুলাদী উপজেলায় তরমুজের বাম্পার ফলনে কৃষকের মাঝে আনন্দের হাসি দেখা যাচ্ছে। কৃষকদের মাঝে তরমুজের চাষের আগ্রহ বেড়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মনিরুল ইসলাম বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে মুলাদী উপজেলায় ১৭৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। কৃষকের চেষ্টা, কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় গতবারের তুলনায় ১৬০ হেক্টর জমিতে বেশি তরমুজ আবাদ হয়েছে।
চরপৈক্ষা মাঠের কৃষক রফিক জানান, এবার তারা ৩ জন কৃষক মিলে ১ একর জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন।
এরমধ্যে ১ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি হয়েছে। আরো ১ লাখ দশ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করা যাবে। ১ একর জমিতে চাষাবাদ খরচ ৭০ হাজার টাকা। নিট ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা লাভ হবে বলে আশা করা যায়।
কৃষক হেলাল ফকির ও জলিল খাঁ বলেন, ২ বছর আগে উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় বরিশাল কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় তারা তরমুজ আবাদ করেছিলেন। এবার নিজেরাই করছেন। আগামীতে আরো বেশি জমিতে চাষ করবেন।
উপজেলার চরপৈক্ষা গ্রামে তরমুজের মাঠ পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: গোলাম সরওয়ার।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরাগ সাহা, উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মনিরুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো: হারুন উর রশিদ, উপজেলা প্রকৌশলী জিয়াউল হাসান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও গাছুয়া ইউনিয়নের প্রশাসক সোহেল রানা, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এইচ এম সুমন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার রেজাউল করিম, ইস্ট্রাক্টর মাহফুজা আক্তার, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাহাদুজ্জামান, চিন্ময় মণ্ডল, মেহেদী হাসান এবং সম্মানিত কৃষকবৃন্দ। মাঠ পরিদর্শন শেষে কর্মকর্তারা উপস্থিত কৃষকদের সাথে মতবিনিময় করেন ও কৃষি বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: গোলাম সরওয়ার বলেন, কৃষকদের পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। তরমুজ একটি উচ্চ মূল্য ফসল, কৃষক বেশি লাভবান হতে পারেন। তাই তরমুজের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।



