ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া জেলার চারটি সংসদীয় আসনে ১৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ১৪টি রাজনৈতিক দলের ২৫ জন অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী ছিলেন বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মনোনীত হাতি মার্কার প্রার্থী রুম্পা খাতুন।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম বা শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট যদি না পান তাহলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। নির্বাচন কমিশনের পরিপাত্রি অনুযায়ী জেলায় চারটি আসনে ১৭ জন প্রার্থীর জামানত বাতিল হয়েছে।
কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে ভোট দিয়েছেন দুই লাখ ৮২ হাজার ৫৪৩ জন। এই আসনে জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে এমন প্রার্থীরা হচ্ছেন— সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) মো: গিয়াস উদ্দীন (তারা প্রতীক) পেয়েছেন ২০৩ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো: বদিরুজ্জামান (মোমবাতি প্রতীক) পেয়েছেন ২৪১ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো: আমিনুল ইসলাম (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন চার হাজার ৬৩ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী) মো: নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা (সাইকেল প্রতীক) পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৬৪ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মো: শাহাবুল ইসলাম (ট্রাক প্রতীক) পেয়েছেন ৬১৩ ভোট এবং জাতীয় পার্টির মো: শাহারিয়ার জামিল (লাঙ্গল প্রতীক) পেয়েছেন এক হাজার ৯৪ ভোট।
কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে ভোট দিয়েছেন তিন লাখ ৪৮ হাজার ৯১১ জন। জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে এমন প্রার্থীরা হচ্ছেন— বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নূর উদ্দিন আহমেদ (কাস্তে প্রতীক) পেয়েছেন ৮০ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো: বাবুল আক্তার (চেয়ার প্রতীক) পেয়েছেন এক হাজার ১২৩ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মোহাম্মদ আলী (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন তিন হাজার ৮৮৭ ভোট।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে ভোট দিয়েছেন তিন লাখ ২১ হাজার ৩২৩ জন। জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে এমন প্রার্থীরা হচ্ছেন— বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মীর নাজমুল ইসলাম (মই প্রতীক) পেয়েছেন ৪৪২ ভোট, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোসা: রুম্পা খাতুন (হাতি প্রতীক) পেয়েছেন ৪৭৫ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম (ট্রাক প্রতীক) পেয়েছেন ২৯৯ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মো: আব্দুল্লাহ আকন্দ (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন পাঁচ হাজার ১৫৩ ভোট।
কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) এই আসনে মোট ভোট দিয়েছেন তিন লাখ আট হাজার ২৬০ জন। জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে এমন প্রার্থীরা হচ্ছেন— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আনোয়ার খান (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন এক হাজার ৩৭৩ ভোট, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির (বিএমজেপি) তরুণ কুমার ঘোষ (রকেট প্রতীক) পেয়েছেন ৬৭১ ভোট, গণফোরামের মো: আব্দুল হাকিম মিঞা (উদীয়মান সূর্য প্রতীক) পেয়েছেন ২৫৫ ভোট এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো: শহিদুল ইসলাম (আনারস প্রতীক) পেয়েছেন ৩০৮ ভোট।



