নাটোরের নলডাঙ্গায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে মহিলাসহ প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চারজনের অবস্থার অবনতি হলে তাদের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার ৪ নম্বর পিপরুল ইউনিয়নে বাঁশভাগ পূর্বপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে পূর্ব বিরোধের জেরে যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থল রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন পিঁপরুল ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আরব আলী, তার পরিবারের তিন সদস্য এবং প্রতিপক্ষ একই ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি লিটন ও রিপনসহ অন্তত ছয়জন। গুরুতর আহত রিপনের হাতের দুটি আঙুল প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এছাড়া আরব আলীও মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত হন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহতরা হলো মো: বিউটি খাতুন, মো: দুলাল, মো: আসিফ, মো: আনসার আলী, মো: লিটন, মো: হযরত আলী। আহতরা সবাই উপজেলা বাঁশভাগ গ্রামের বাসিন্দা।
নলডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুরে আলম বলেন, ‘সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
পিপরুল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিঠুন কুমার দেব বলেন, ‘বিষয়টি দলীয় কোন সংঘর্ষ নয়। এটি শুধুমাত্র প্রতিবেশীদের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।’



