ডেভিল হান্ট ফেজ-২ অভিযানে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চান্দহর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আজাহার উদ্দিন খানকে পুলিশ আটকের পর ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ নিয়ে চলছে তদন্ত।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পেলে একজন পুলিশ অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ওই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে দারোগা আরবীকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর বিকেল পৌনে ৫টার দিকে উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নের বাঘুলি বাজার আজাহার মার্কেটের সামনে থেকে আওয়ামী লীগ নেতা আজাহার উদ্দিন খানকে আটক করেন শান্তিপুর (বাঘুলি) তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আরবীকুল ইসলাম। দেন-দরবার শেষে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে তাকে রাতে জামির্ত্তা-হাতনি চকের রাস্তা থেকে ছেড়ে দেন ওই দারোগো।
বিষয়টি প্রকাশ পেলে সংবাদকর্মীর কাছে তাৎক্ষণিক মন্তব্যে ওই দারোগা আজাহার উদ্দিনকে আটক ও ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। এ নিয়ে গত ২১ ডিসেম্বর ‘সিংগাইরে আওয়ামী লীগ নেতাকে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে’ শিরোনামে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এতে পুলিশ সুপারের নজরে এলে তিনি সহকারী পুলিশ সুপার (সিংগাইর সার্কেল) ফাহিম আসজাদকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
এ ব্যাপারে এএসপি ফাহিম আসজাদ বলেন, আটকের পর ছেড়ে দেয়ার অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, ঘটনার দিন আওয়ামী লীগ নেতা আজাহার উদ্দিন খানকে ধরা-ছাড়ার বিষয়টি দারোগা আরবীকুল ইসলাম অস্বীকার করলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তিনি অসুস্থতাজনিত কারণে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে স্বীকার করেন।



