রংপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাধীনতা দিবস পালন

অর্থনৈতিক মুক্তি ও বৈষম্যহীন ন্যায়-ইনসাফের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যাশা রংপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জনসাধারণের।

সরকার মাজহারুল মান্নান, রংপুর ব্যুরো

Location :

Rangpur
শহীদ আবু সাঈদ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ
শহীদ আবু সাঈদ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ |নয়া দিগন্ত

রংপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করা হয়েছে। অর্থনৈতিক মুক্তি ও বৈষম্যহীন ন্যায়-ইনসাফের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যাশা রংপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জনসাধারণের।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রংপুর মহানগরীর সুরভী উদ্যানে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে এসে এই প্রত্যাশা করেন তারা।

সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিভাগীয় কমিশনার শহীদুল ইসলাম। এরপর রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল, সিটি প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডন, ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, মহানগর পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী, ডিসি মোহাম্মদ এনামুল আহসান, এসপি মারুফাত হোসাইন, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল, রংপুর প্রেসক্লাব, রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানান।

সকাল ৯টায় শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ছাড়াও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩৮টি দল অংশ নেয়। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ভয়াল স্মৃতির পাশাপাশি জনসচেতনতা বিষয়ক ডিসপ্লে প্রদর্শন করে ছয়টি দল। পরে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। কুচকাওয়াজ পর্বেও স্থানীয় এমপি মাহবুবুর রহমান বেলাল, বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, ডিসি, এসপি উপস্থিত থেকে অভিবাদন গ্রহণ করেন।

পরে জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয় এবং আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় এমপিসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন এবং রেঞ্জ, মহানগর ও জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে কারাগার ও সরকারি শিশু সদনগুলোতে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।

সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিটি প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডন। রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতা স্মারকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ভিসি ড. শওকাত আলীর নেতৃত্বে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। পরে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ভিসি।

এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে আলোচনা সভাসহ নানা ধরনের কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

এসব আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, এখনো স্বাধীনতার অন্যতম উদ্দেশ্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জিত হয়নি, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমে বৈষম্যহীন সাম্য ও ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এজন্য ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে।