বেনাপোল বন্দর দিয়ে ২১০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে গত তিন দিনে ২১০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য পড়েছে বাংলাদেশী টাকায় ৪২-৪৩। পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ১০-১৫ টাকা কমে গেছে।

বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা

Location :

Jashore
বেনাপোল বন্দর দিয়ে ২১০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি
বেনাপোল বন্দর দিয়ে ২১০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি |নয়া দিগন্ত

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে গত তিন দিনে ২১০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য পড়েছে বাংলাদেশী টাকায় ৪২-৪৩। পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ১০-১৫ টাকা কমে গেছে।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ৯০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এ নিয়ে তিনদিনে মোট ২১০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে ৭টি ট্রাকে করে বেনাপোল বন্ধুরে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন।

আমদানি করা পেঁয়াজ ছাড়করণ প্রতিষ্ঠান মেসার্স রয়েল এন্টারপ্রাইজের মালিক রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকার আমদানিকারকরা এসব পেঁয়াজ আমদানি করেছে।

তিনি বলেন, প্রথম চালানে গত সোমবার তিনটি ট্রাকে ৯০ মেট্রিক টন, দ্বিতীয় চালানে বুধবার একটি ট্রাকে ৩০ মেট্রিক টন এবং শনিবার সন্ধ্যায় ৩টি ট্রাকে ৯০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে সর্বশেষ এ বন্দর দিয়ে ৬০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স কপোতাক্ষ সিএন্ডএফ অ্যাজেন্টের মালিক আবু ফয়সল বলেন, ‘ভারত থেকে প্রতি টন পেঁয়াজ ৩০৫ মার্কিন ডলারে আমদানি করা হচ্ছে। বন্দর ও আমদানির আনুষঙ্গিক ব্যয় ধরে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম পড়ছে ৪২-৪৩ টাকা। এ ছাড়া বাজারজাত করতে এর সাথে পরিবহন ও শ্রমিক ব্যয় যুক্ত হবে।’

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য আরো কিছু পেঁয়াজের ট্রাক ওপারের পেট্রোপোল বন্দরে অপেক্ষায় আছে। সেগুলো পর্যায়ক্রমে বন্দরে ঢুকবে। বন্দর থেকে পেঁয়াজের চালান দ্রুত খালাসের জন্য সব রকম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’