ঝালকাঠিতে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ উদ্বোধন, দেশীয় ফল চাষে গুরুত্বারোপ

‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঝালকাঠিতে উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

Location :

Jhalokati
ঝালকাঠিতে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ উদ্বোধন, দেশীয় ফল চাষে গুরুত্বারোপ
ঝালকাঠিতে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ উদ্বোধন, দেশীয় ফল চাষে গুরুত্বারোপ |নয়া দিগন্ত

‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঝালকাঠিতে উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ১০টায় ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, ঝালকাঠির যৌথ উদ্যোগে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়।

মেলার শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: মমিন উদ্দিন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, ঝালকাঠির উপপরিচালক মো: আবদুল্লাহ আল-মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেগুফতা মেহনাজ এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মেহেদী হাসান সহ আরো অনেকে।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করতে দেশীয় ফল চাষের বিকল্প নেই।

তারা উল্লেখ করেন, কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে দেশে ফল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। বারোমাসি ফল চাষ এবং আধুনিক পদ্ধতিতে ফল সংরক্ষণের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি, অপচয় রোধ এবং মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ সম্ভব।

বক্তারা আরো বলেন, তরুণ প্রজন্মকে ফল চাষে আগ্রহী করে তোলা এবং আধুনিক ফল সংরক্ষণ প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে জাতীয় ফল মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

মেলা প্রাঙ্গণে স্থানীয় বিভিন্ন নার্সারি ও কৃষি উদ্যোক্তারা দেশীয় ও বিদেশী বিভিন্ন জাতের ফল, উন্নত মানের ফলের চারা এবং কৃষিপণ্য নিয়ে আকর্ষণীয় স্টল স্থাপন করেন। দিনব্যাপী মেলায় স্থানীয় কৃষক, ফলচাষি, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ স্থানীয় পর্যায়ে ফল চাষ সম্প্রসারণ, পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।