প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার তরগাঁও ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতীকী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে কাপাসিয়ার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ফলজ, বনজ ও ঔষধি—এই তিন ধরনের বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিন আইউবী। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাফিজুল হক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাহিদুল হক, গাজীপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমির ও কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য মাওলানা শেফাউল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. খলিলুর রহমান, জেলা বিএনপির নেতা আফজাল হোসাইন, কাপাসিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এফ এম কামাল হোসেন, কাপাসিয়া সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও বিআরডিবি চেয়ারম্যান মো. সেলিম হোসেন আরজু, দুর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সোলায়মান মোল্লা, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফুন নেছা, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মোফাজ্জল হোসেন খানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনিসুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিন আইউবী বলেন, ‘একটি বৃক্ষ শুধু ছায়া, ফল বা কাঠের উৎস নয়; এটি নির্মল পরিবেশ, সুস্থ জীবন ও নিরাপদ ভবিষ্যতের প্রতীক। শিশুদের মধ্যে প্রকৃতিপ্রেম, পরিবেশ সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতেই এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। একটি চারাগাছের যত্ন থেকেই গড়ে উঠতে পারে আগামী দিনের সবুজ বাংলাদেশ।’
উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, বিষয়ভিত্তিক কুইজ, কাবিং ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের এ অনুষ্ঠানে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ প্রদান করা হয়। দেশের প্রায় ২ কোটি ১৮ লাখ ২৮ হাজার ৬৯৩ জন শিক্ষার্থী এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।



