রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি

‘তীর-ধনুক, লাঠিসোঁটা নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও ইতিহাসের বিরল ঘটনা’

‘মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ২৪’র জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের চ্যালেঞ্জ। তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

সরকার মাজহারুল মান্নান, রংপুর ব্যুরো

Location :

Rangpur
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন রেঞ্জ ডিআইজি, (ডানে) অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন রেঞ্জ ডিআইজি, (ডানে) অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার |নয়া দিগন্ত

রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘তীর-ধনুক, লাঠিসোঁটা নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও পৃথিবীর ইতিহাসের একটি বিরল ঘটনা। যা মুক্তিযুদ্ধের সময় রংপুরের মানুষ করে দেখিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ। তীর-ধনুক, লাঠিসোঁটা নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করেছিল রংপুরের সাধারণ মানুষ। যা বিপ্লবীদের আরো প্রেরণা যোগায়।’

শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে রংপুর মহানগরীর নিসবেতগঞ্জ রক্ত গৌরব স্মৃতি ভাস্কর্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মোত্তালেব, রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, মহানগর পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী, ডিসি মোহাম্মদ এনামুল আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) জয়নাল আবেদীন, জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন সামাজিক, পেশাজীবী, রাজনৈতিক সংগঠন পৃথক পৃথভাবে সেখানে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। পরে শহীদদের উদ্দেশে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ২৪’র জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের চ্যালেঞ্জ। তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ রংপুরের মুক্তিকামী জনতা রংপুর ক্যান্টমেন্ট ঘেরাও করলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গুলিবর্ষণে অনেক মুক্তিকামী মানুষ শহীদ হয়েছিলেন। তখন থেকেই দিবসটিকে ক্যান্টনমেন্ট দিবস হিসেবে পালন করে স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী।