দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদগাহ ময়দান হিসেবে খ্যাত দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। সে লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ঈদগাহ ময়দানের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন করেন দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। তার সাথে ছিলেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার মো: জেদান আল মুসাসহ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তারা।
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ঈদগাহ ময়দানের সার্বিক পরিবেশ, প্রবেশ ও বাহির হওয়ার পথ, পার্কিং ব্যবস্থা, ভিআইপি ও সাধারণ মুসল্লিদের অবস্থান ব্যবস্থা, জরুরি সেবার প্রস্তুতি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব বণ্টন বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশাবাদী। এ বিষয়ে সম্মানিত মুসল্লিদেরও সচেতনতা ও সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।’
এদিকে, ঈদের জামাতকে ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদগাহ ময়দান ও এর আশপাশ এলাকায় ইউনিফর্ম পরিহিত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে। ডিবি পুলিশের একাধিক টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে এবং সন্দেহজনক যেকোনো গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।
এছাড়াও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে ড্রোন ও সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকা সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের আওতায় রাখা হবে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন, আর্চওয়ে গেটের মাধ্যমে তল্লাশি কার্যক্রম এবং প্রয়োজনীয় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হবে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন।
উল্লেখ্য, প্রায় ২২ একর নিয়ে এই ময়দানে একত্রে ১০ লাখ মুসল্লী নামাজ আদায় করতে পারবেন।



