ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সিলেট বিভাগের মোট ১৯টি আসনে ১৪৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে প্রার্থীরা এ মনোনয়নপত্র জমা দেন।
জানা যায়, এদিন সিলেট জেলায় ৪৭ জন, মৌলভীবাজার জেলায় ৩১ জন, সুনামগঞ্জ জেলায় ৩৮ জন ও হবিগঞ্জ জেলায় ২৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন।
সিলেট জেলার ৬টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৪৭ জন প্রার্থী। জমাদানকারীদের মধ্যে ১৭টি দলের মনোনীত প্রার্থীদের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছেন। যদিও শেষ দিন পর্যন্ত ৫৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সিলেট-১ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা ১০ জন প্রার্থীর সবাই দাখিল করেছেন। সিলেট-২ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা ১০ প্রার্থীর মধ্যে দাখিল করেছেন নয়জন। সিলেট-৩ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা ১১ প্রার্থীর মধ্যে দাখিল করেছেন নয়জন। সিলেট-৪ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা আট প্রার্থীর মধ্যে দাখিল করেছেন সাতজন। সিলেট-৫ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা আট প্রার্থীর মধ্যে দাখিল করেছেন ছয়জন এবং সিলেট-৬ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা নয় প্রার্থীর মধ্যে দাখিল করেছেন ছয়জন।
সিলেটের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: সারওয়ার আলম বলেন, ‘মনোনয়ন দাখিলের শেষদিনে মোট ৪৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যদিও ছয়টি আসনে মোট ৫৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে ১০ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে সবাই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এদের মধ্যে বিএনপি থেকে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, জামায়াতে ইসলামী থেকে সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল মার্কসবাদীর সঞ্জয় কান্তি দাস, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এহতেশামুল হক, খেলাফত মজলিসের তাজুল ইসলাম হাসান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রনব জ্যোতি পাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো: শামীম মিয়াসহ মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
সিলেট-২ (বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর) আসনে ১০ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন নয়জন। এর মধ্যে বিএনপি থেকে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদীর লুনা ও জামায়াতে ইসলামী থেকে অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, খেলাফত মজলিস থেকে মুহাম্মদ মুনতাছির আলী, নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আবরার ইলিয়াস স্বতন্ত্র, গণঅধিকার পরিষদের জামান আহমদ সিদ্দিকী, গণফোরামের মো: মজিবুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো: আমির উদ্দিন, জাতীয় পার্টি মাহবুবুর রহমান চৌধুরী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুস শহীদসহ মোট নয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমার, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) আসনে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন নয়জন। তার মধ্যে বিএনপি থেকে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল মালিক, জামায়াতে ইসলামী থেকে মাওলানা লোকমান আহমদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ, খেলাফত মজলিসের দিলাওয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুসলেহ উদ্দিন রাজু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেদওয়ানুল হক চৌধুরী, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মুস্তাকিম রাজা চৌধুরী ও মইনুল বাকেরসহ মোট নয়জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ) আসনে আটজন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন সাতজন। এর মধ্যে বিএনপি থেকে সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী থেকে জেলা সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন, খেলাফত মজলিস থেকে আলী হাসান ওসামা, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাশেদ উল আলম, গণঅধিকার পরিষদের জহিরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা সাঈদ আহমদ ও জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান ডালিমসহ মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।
সিলেট-৫ (কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ) আসনে আটজন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ছয়জন। এর মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, জামায়াতে ইসলামী থেকে জেলা নায়েবে আমির হাফিজ আনওয়ার হোসাইন খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপি নেতা মামুনুর রশীদ, খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আবুল হাসান, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন খালেদ ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো: বিলাল উদ্দিনসহ মোট ছয়জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
এছাড়া সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার) আসনে নয়জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন ছয়জন। এর মধ্যে বিএনপি থেকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও জেলা বিএনপি নেতা ফয়সল আহমদ চৌধুরী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমান, জাতীয়পার্টির আব্দুন নুর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জমিয়ত নেতা মাওলানা ফখরুল ইসলামসহ ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
হবিগঞ্জ: এ জেলার চারটি আসনে মোট ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল করেছেন। জেলা প্রশাসক ও বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে তারা মনোনয়নপত্র জমা দেন।
সোমবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসার আনোয়ার মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বিএনপি থেকে ড. রেজা কিবরিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া, জামায়াতে ইসলামীর মো: শাহজাহান আলী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ বদরুর রেজা, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কাজী তোফায়েল আহমেদসহ মোট ছয়জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন।
হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) বিএনপির ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান, খেলাফত মজলিসের আব্দুল বাছিত আজাদ, স্বতস্ত্র প্রার্থী সাংবাদিক আফছার আহমেদ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের লুকমান আহমদে তালুকদার, জাতীয় পার্টির আব্দুল মোক্তাদির চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নোমান আহমদ সাদিকসহ মোট ছয়জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন।
হবিগঞ্জ-৩ (সদর, শায়েস্তাগঞ্জ ও লাখাই) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ, জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহিব উদ্দিন আহমেদ সোহেল, গণঅধিকার পরিষদের চৌধুরী আশরাফুল বারি নোমান, জাতীয় পার্টির আব্দুল মুমিন চৌধুরী, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের শাহিনুর রহমান ও বাংলাদেশ ইসলামি ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ারসহ মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন।
হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে বিএনপি থেকে হবিগঞ্জ জেলার সাবেক সভাপতি সৈয়দ ফয়সল, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমদ সাজন, বাংলাদেশ ইসলামি ফ্রন্টের মো: গিয়াস উদ্দিন, এ বি পার্টির প্রার্থী মোকাম্মেল হোসেন, খেলাফত মজলিসের আহমদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শাহ মো: আল আমিন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম খোকন, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী রেজাউল মোস্তাফাসহ মোট ১০ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন।
মৌলভীবাজার: এ জেলার চারটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের ৩১ প্রার্থী।
মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে বিএনপির নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু, জামায়াতের আমিনুল ইসলাম, তাদের শরিক দল খেলাফত মজলিসের লোকমান আহমদ, গণঅধিকার পরিষদের মো: আব্দুন নূর তালুকদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী বেলাল আহমদ, জাতীয় পার্টির আহমদ রিয়াজ ও গণফ্রন্টের মো: শরিফুল ইসলামসহ সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে বিএনপির শওকতুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর সাহেদ আলী, ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল কুদ্দুছ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির মো: আব্দুল মালিক, স্বতন্ত্র নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন, এম জিমিউর রহমান চৌধুরী ও মো: ফজলুল হক খানসহ আট প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনে বিএনপির নাসের রহমান, তার স্ত্রী স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজিনা নাসের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান কামালী, জামায়াতের আব্দুল মান্নান, খেলাফত মজলিসের আহমদ বিলাল, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির জহর লাল দত্ত ও মো: ইলিয়াছসহ সাত প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে বিএনপির হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী, বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: মহসিন মিয়া, বিএনপি নেতা মুঈদ আশিক চিশতী, জালাল উদ্দিন আহমদ জিপু, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল রব, এনসিপির প্রীতম দাশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নূরে আলম হামিদী, সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) আবুল হোসেন ও জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ জরিফ হোসেনসহ মোট নয় প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
সুনামগঞ্জ: এ জেলার পাঁটি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৩৮ জন প্রার্থী।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তারা মনোনয়নপত্র জমা দেন।
সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর) আসনে বিএনপি থেকে জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনিসুল হক ও কামরুজ্জামান কামরুল, জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা তোফায়েল আহমদ খান, ইসলামী আন্দোলনের ডা: রফিকুল ইসলাম চৌধুরী ও খেলাফত মজলিস প্রার্থী মাওলানা মখলিসুর রহমানসহ মোট পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা) আসনে বিএনপি থেকে মো: নাছির চৌধুরী ও তাহির রায়হান চৌধুরী পাবেল, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ শিশির মনির, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ড. শোয়াইব আহমদ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নিরঞ্জন দাস খোকন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ঋতেশ রঞ্জন দেবসহ ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) আসনে বিএনপি থেকে কয়ছর এম আহমদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা মো: আনোয়ার হোসেন, খেলাফত মজলিসের শেখ মুশতাক আহমদ, জামায়াতে ইসলামীর ইয়াসীন খান, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সৈয়দ তালহা আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন আহমদ মিশেল, স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান খালেদ তুষার, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মাসুদুর রহমান ও ইসহাক আমিনী, গণঅধিকার পরিষদের পারভেজ আহমদ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
সুনামগঞ্জ-৪ (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনে বিএনপি থেকে জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরুল, স্বতন্ত্র হিসেবে বিএনপি নেতা দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, জামায়াতের অ্যাডভোকেট শামসউদ্দিন, জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা হিমেল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুফতি আজিজুল হক ও খেলাফত মজলিসের শাখাওয়াত হোসেন মোহন মনোনয়নপত্র জমা দেন।
সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) আসনে বিএনপি থেকে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, স্বতন্ত্র হিসেবে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান, জামায়াতের মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী, খেলাফত মজলিসের হাফেজ আব্দুল কাদির, স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফারুকী, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আজিজুল হক ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ শেষ হয়েছে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর)। রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি।



