মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পৃথক দু’টি চা বাগানের পুকুর থেকে দুই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। শনিবার (৯ মে) সকালে ও বিকেলে ওই দুই লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, বিকেলে উপজেলার রাজঘাট ইউনিয়নের ফুসকুড়ি চা বাগানের ৪ নম্বর বস্তির একটি পুকুর থেকে মো: আবেদ আলী (৫৮) নামে এক কৃষকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার সিন্দুরখান ইউনিয়নের ষাড়েরগজ পূর্ব নওয়াগাও এলাকার মরহুম কমরউদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, কৃষক আবেদ আলী বৃহস্পতিবার (৭ মে) থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
অন্যদিকে, একইদিন সকালে উপজেলার কালিঘাট ইউনিয়নের ভাড়াউড়া চা-বাগানের রামপাড়া এলাকায় অজয় হাজারার বাড়ির পুকুর থেকে মোহাম্মদ হোসেন (৫৪) নামে এক রিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত হোসেন কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের খোজারকলা গ্রামের মরহুম শরবত আলীর ছেলে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পুকুরে এক ব্যক্তির পা ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ফায়ার সার্ভিসকে জানালে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একই দিনে পৃথক স্থান থেকে দু’টি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল থানার ওসি (তদন্ত) মো: আব্দুর রাজ্জাক জানান, ফুসকুড়ি চা বাগানের পুকুর থেকে এক কৃষক এবং ভাড়াউড়া চা-বাগানের পুকুর থেকে এক রিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, নিহত রিকশাচালক ছোটবেলা থেকেই সিলেট অঞ্চলে বসবাস করতেন এবং শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন এলাকায় ‘হাসিম পাগলা’ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি প্যাডেলচালিত রিকশা চালাতেন এবং দীর্ঘদিন ধরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় চলাফেরা করতেন।
ওসি আরো জানান, উদ্ধার হওয়া লাশ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



