কেন্দুয়ায় লোকজ সাহিত্য আসরের উদ্যোগে প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা

নেত্রকোণার কেন্দুয়া প্রেসক্লাবে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও লোকঐতিহ্য চর্চা এবং সংরক্ষণের লক্ষ্যে ‘সাহিত্য-সংস্কৃতি ঐতিহ্যের সন্ধানে, মিশি প্রাণে প্রাণে’—এই প্রতিপাদ্যে কেন্দুয়া লোকজ সাহিত্য আসরের উদ্যোগে শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে এক আলোচনা সভা ও গ্রামীণ কিচ্ছা পরিবেশিত হয়েছে।

আবু বকর ছিদ্দিক, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা)

Location :

Kendua Upazilla
কেন্দুয়ায় লোকজ সাহিত্য আসরের উদ্যোগে প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা
কেন্দুয়ায় লোকজ সাহিত্য আসরের উদ্যোগে প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা |নয়া দিগন্ত

নেত্রকোণার কেন্দুয়া প্রেসক্লাবে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও লোকঐতিহ্য চর্চা এবং সংরক্ষণের লক্ষ্যে ‘সাহিত্য-সংস্কৃতি ঐতিহ্যের সন্ধানে, মিশি প্রাণে প্রাণে’—এই প্রতিপাদ্যে কেন্দুয়া লোকজ সাহিত্য আসরের উদ্যোগে শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে এক আলোচনা সভা ও গ্রামীণ কিচ্ছা পরিবেশিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন নেত্রকোণার মদন উপজেলার ‘বাংলাদেশ ইতিহাস-ঐতিহ্য, অনুসন্ধান ও গবেষণা কেন্দ্র’-এর সভাপতি, সাবেক পৌর মেয়র দেওয়ান মোদাচ্ছের হোসেন সফিক এবং প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন কেন্দুয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও প্রগতি পাঠক চক্রের সভাপতি অধ্যাপক রনেন সরকার।

প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা মিডিয়া ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: মহিউদ্দিন সরকারের পরিচালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল হাই সেলিম, সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুস সাত্তার আহমেদ।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা।

বক্তারা বলেন, লোকজ সাহিত্য, কিচ্ছা, পালাগান ও গ্রামীণ সংস্কৃতি আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জীবনবোধের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এসব ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য হারেছ উদ্দিন ফকির, লেখক ও পালানাট্যকার রাখাল বিশ্বাস, বিজয় রজক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, সাংবাদিক সালাউদ্দিন সালাম, মঞ্জুরা আক্তার লিলি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল গ্রামীণ কিচ্ছা পরিবেশনা। এতে অংশ নেন সবুজ বয়াতী, আশিক বয়াতী ও জসীম পাগলা। তাদের পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা মুগ্ধ হন এবং পুরো অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এ সময় সাহিত্যপ্রেমী, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা ভবিষ্যতেও লোকজ সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। সাহিত্য, সংস্কৃতি ও লোকঐতিহ্য সংরক্ষণে সচেতনতা সৃষ্টি এবং নতুন প্রজন্মকে লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে।