শ্রীমঙ্গলে জেঁকে বসেছে শীত

সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি।

এম এ রকিব, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)

Location :

Sreemangal
ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন
ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন |নয়া দিগন্ত

চায়ের রাজ্যখ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জেঁকে বসেছে শীত। সেই সাথে হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে আছে পুরো এলাকা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন উপজেলার নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। বিশেষ করে চা শ্রমিকরা পড়েছেন বিপাকে।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি।

গত ক'দিন ধরে সকাল গড়িয়ে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না। এতে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বেলা বাড়লেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা থাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে সড়কে দিনেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যান চলাচল করেছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না কেউ। আর সন্ধ্যার পর কুয়াশার ঘনত্ব আরও বেড়ে যাচ্ছে।

এদিকে শীতের তিব্রতা বেড়ে যাওয়ায় শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ শীতজনিত রোগ বেড়েই চলেছে। হিমেল বাতাসে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে শিশু, বৃদ্ধ আর ছিন্নমূল মানুষ। এসব মানুষ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রে ভিড় করার খবর পাওয়া গেছে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) প্লাবন পাল নয়া দিগন্তকে জানান, গত সপ্তাহে উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ১১৪০টি কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার ত্রান তহবিল থেকে আরো ৮০০ কম্বল পেয়েছেন। সেগুলোও দু’একদিনের মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় পৌঁছে দেয়া হবে দুস্থদের মাঝে বিতরণের জন্য।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক মো: আনিসুর রহমান জানান, গত কয়েক দিন ধরে শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা উঠানামা করছে। সোমবার সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুয়াশার কারণে দিনের বেলা রোদ না থাকায় শীতের তীব্রতা বাড়ছে বলেও তিনি জানান।

Topics