পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কালিগঙ্গা নদীর তীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘাটে যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবে এগিয়ে এসেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ ও এলাকাবাসী। নদীতে ট্রলার বা নৌকা থেকে যাত্রী সাধারণের নিরাপদ ওঠানামার জন্য সেখানে একটি সাঁকো তৈরি করা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ১০টায় উপজেলার কালিগঙ্গা নদীর তীরে সয়না খেয়াঘাটের যাত্রীদের উঠানামার নবনির্মিত সাঁকোটি উদ্বোধন করেন সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: আবু সাঈদ।
উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কালিগঙ্গা নদী তীরবর্তী এই ঘাটটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষ নদী পারাপারের ক্ষেত্রে এই ঘাটটি ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন ধরে এখানে কোনো স্থায়ী ঘাট না থাকায় চরম ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীদের ট্রলারে উঠতে হতো।
জনভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে ও স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করার লক্ষ্যে সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আবু সাঈদ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ও এলাকাবাসী মিলে এই সাঁকোটি তৈরির উদ্যোগ নেন। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কিছু বরাদ্দ, ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত অর্থায়ন ও স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রম এবং অর্থায়নে সাঁকোটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
সাঁকোটি নির্মাণের ফলে এখন শিশু ও বৃদ্ধসহ সাধারণ যাত্রীরা অনেক স্বচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারছেন। স্থানীয় বাসিন্দা মো: মাসুম ও কলেজ ছাত্রী শারমিন জানান, ‘আগে টলারে উঠতে গিয়ে অনেক সময় পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকতো।এখন এই সাঁকোটি হওয়ায় আমাদের অনেক উপকার হয়েছে।’
সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আবু সাঈদ জানান, স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হল। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয়দের নিয়ে এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা এই সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়েছে।’
উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের সাথে পিরোজপুর জেলা শহরের যোগাযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংক্ষিপ্ত যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম সয়না হুলারহাট খেয়াঘাট।
অত্র ইউনিয়নের নয়টি গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী নেছারাবাদ উপজেলার চার থেকে পাঁচটি গ্রামের লোকজন সহজে এই পথ দিয়ে জেলা শহরে যাতায়াত করে।



