কৃষকের বাড়ি থেকে গরু লুট, বাধা দেয়ায় গৃহকর্তাকে গুলি করে হত্যা

একটি সঙ্ঘবদ্ধ সশস্ত্র চোরের দল সাদা মাইক্রোবাসে করে ওই এলাকার হিন্দু পাড়ায় হানা দেয়। এ সময় তারা স্থানীয় বাসিন্দা রাতুল দে’র গোয়াল ঘর থেকে দু’টি গরু লুটে নেয়। পরে পার্শ্ববর্তী চন্দন দে’র বাড়িতে দুর্ধর্ষ চোরের দল হানা দিলে গৃহকর্তা চন্দন দে বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্য নিয়ে বাধা দেয়। এতে চোরের দল ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে একটি গরু লুট করে মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যায়।

পটিয়া-চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

Location :

Chandanaish
ঘটনাস্থলে স্থানীয় মানুষজন
ঘটনাস্থলে স্থানীয় মানুষজন |নয়া দিগন্ত

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে দুর্ধর্ষ উপায়ে মাইক্রবাসে করে তিনটি গরু লুটে নেয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ সময় গরু নিয়ে যাওয়ার পথে বাধা দেয়ায় চন্দন দে (৭৫) নামে এক বৃদ্ধ গৃহকর্তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে চন্দনাইশ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের জোয়ারা হিন্দু পাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে ওই ওয়ার্ডের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ শাহেদ জানান, একটি সঙ্ঘবদ্ধ সশস্ত্র চোরের দল সাদা মাইক্রোবাসে করে ওই এলাকার হিন্দু পাড়ায় হানা দেয়। এ সময় তারা স্থানীয় বাসিন্দা রাতুল দে’র গোয়াল ঘর থেকে দু’টি গরু লুটে নেয়। পরে পার্শ্ববর্তী চন্দন দে’র বাড়িতে দুর্ধর্ষ চোরের দল হানা দিলে গৃহকর্তা চন্দন দে বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্য নিয়ে বাধা দেয়। এতে চোরের দল ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে একটি গরু লুট করে মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ চন্দন দেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। নিহত চন্দন দে ওই গ্রামের রেবতী মোহন দে’র ছেলে। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

চন্দনাইশ সেকেন্ড অফিসার (উপ-পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (পুলিশ পরিদর্শক ভারপ্রাপ্ত) জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরো জানান, এ ব্যাপারে নিহতের বড় ছেলে চনি দে দুপুরে চন্দনাইশ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ইতোমধ্যে এই চুরির রহস্য উদঘাটন এবং যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা শুরু করেছে।