ভোলার ইলিশা ঘাটে ফেরি সঙ্কটে সড়কেই নষ্ট হচ্ছে তরমুজ

ফেরি সঙ্কটের কারণে তরমুজবোঝাই ট্রাকগুলো দিনের পর দিন সড়কে দাঁড়িয়ে থাকায় রোদে পচে নষ্ট হচ্ছে লাখ টাকার তরমুজ। এতে বড় অঙ্কের লোকসানের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

শাহাদাত হোসেন শাহীন, ভোলা

Location :

Bhola
তরমুজবোঝাই ট্রাকের দীর্ঘ সারি
তরমুজবোঝাই ট্রাকের দীর্ঘ সারি |নয়া দিগন্ত

ভোলার ইলিশা ঘাটে তীব্র ফেরি সঙ্কটের কারণে পারাপার ব্যাহত হচ্ছে। এতে ঘাটে দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকছে ট্রাক। বিশেষ করে তরমুজবোঝাই ট্রাকগুলো দিনের পর দিন সড়কে দাঁড়িয়ে থাকায় রোদে পচে নষ্ট হচ্ছে লাখ টাকার তরমুজ। এতে বড় অঙ্কের লোকসানের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি।

ভোলার সাথে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের সহজ মাধ্যম ইলিশা ফেরিঘাট।

চরফ্যাশনের চর কলমী ইউনিয়নের ভুক্তভোগী কৃষক লোকমান বলেন, ‘ঈদের ছুটি শেষে ভোলার ইলিশা ঘাটে যাত্রীবাহী যানবাহনের চাপ বেড়েছে। এ অবস্থায় ঘাটে আটকে পড়েছে তরমুজবোঝাই কয়েকশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান। দিনের পর দিন আটকে থাকায় অধিকাংশ ট্রাকের তরমুজে পচন ধরেছে। প্রায় প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে তরমুজবোঝাই ট্রাকের দীর্ঘ সারি। অনেক চালক দুই থেকে তিনদিন ধরে অপেক্ষা করেও ফেরিতে উঠতে পারছেন না। দিনের পর দিন আটকা পড়ে তরমুজ পচে নষ্ট হচ্ছে।’

ইলিশা ঘাট বিআইডব্লিউটিসি ব্যবস্থাপক মো: কাওছার হোসেন বলেন, ‘ঈদের কারণে বাসের চাপ বেশি থাকায় সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হচ্ছে। তাই যানজট তৈরি হয়েছে।’

যানজট নিরসনে অতিরিক্ত আরো একটি ফেরি আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তরমুজ ব্যবসায়ীদের লোকসান কমাতে দ্রুত ফেরির সংখ্যা বাড়িয়ে ট্রাক পারাপার ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি কৃষক, ব্যবসায়ী ও ট্রাকচালকদের।

উল্লেখ্য, ভোলার সাত উপজেলায় এ বছর তরমুজের আবাদ হয়েছে ১৯ হাজার ৭৫৩ হেক্টর জমিতে। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রায় সাত লাখ টন তরমুজ উৎপাদন হবে। ভোলা-লক্ষীপুর রুটে প্রতিদিন চারটি ফেরি চলাচল করে।