নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ১১ দলীয় জোট ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়ার গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় বিশাল এ গণমিছিলে দাঁড়িপাল্লার শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়। গণমিছিলে কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন। মিছিলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে।
গণমিছিল ও শোডাউনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মমিনুল হক সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও মিডিয়া বিভাগের তদারককারী আবু সাঈদ মুহাম্মদ মুন্না, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি আকরাম হোসাইন, সেক্রেটারি হাসিবুল ইসলাম সিফাত।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও উপজেলা জামায়াত উত্তরের আমির মাওলানা ইসহাক মিয়া, সেক্রেটারি মাওলানা ইব্রাহিম হাসান, দক্ষিণের আমির মাহবুব মিয়া, সেক্রেটারি মো: আসাদুল ইসলাম, খেলাফত মজলিস সোনারগাঁও উপজেলার সভাপতি মুফতি সিরাজুল ইসলাম, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুবশক্তির যুগ্ম সম্পাদক তুহিন মাহমুদসহ স্থানীয় নেতারা।
গণমিছিলে আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধান অতিথি মমিনুল হক সরকার বলেন, ‘দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে। আমরা চাই না আবার সেই ফ্যাসিবাদ ফিরে আসুক। যারা চাঁদাবাজি ও দমন-পীড়ন বন্ধ রাখতে চান, তাদের ১১ দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে। হুমকি দিয়ে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে না। আমরা মরলে শহীদ, বাঁচলে গাজী।’
গণমিছিল শেষে ড. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকছি। ১২ তারিখে দাঁড়িপাল্লায় প্রথম ভোট দিয়ে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নিন।’
তিনি ভোটকেন্দ্র দখল ও ভোটারদের হয়রানির অভিযোগ তুলে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, ‘এসব অভিযোগের দ্রুত সমাধান না হলে, যেকোনো পরিস্থিতির দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।’



